বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘এই সরকার মিথ্যাচারী। তারা নিজেদের অপকর্মের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপাতে চায়। ইডেন কলেজে কলঙ্কজনক ইতিহাসের জন্ম দিয়েছে তারা। সরকার প্রধানের নির্দেশে ও ভিসির প্ররোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে পুলিশের গুলিতে শাওন নিহত হলে এসপি বলেছে, সে ঠেলাঠেলিতে মারা গেছে।’
বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে মহানগর বিএনপির প্রয়াত যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হাসান দুলুর স্মরণে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন। মহানগর ও জেলা বিএনপির যৌথ আয়োজনে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘দেশে ফ্যাসিবাদী নিষ্ঠুর শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। গত ৩১ জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত জনদাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে চার জন নিহত হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অংশ নেওয়া মানুষকে আর গুলি করে হত্যা করা যাবে না।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বাঁশের লাঠিতে জাতীয় পতাকা ধারণ করে শাসক দলের সব ব্যারিকেড ভেঙে বিএনপির আন্দোলন এগিয়ে যাবে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের এই ঘোর দুর্দিনের সময়ে আজিজুল হাসান দুলুর মতো একজন নিবেদিত কর্মীর অকালে চলে যাওয়া আমাদের জন্য হৃদয় বিদারক।’
খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান আন্দোলনের তরঙ্গ তৈরি করেছেন। গুম, খুন, অপহরণ, হামলা, মামলা করে আর আন্দোলন দমন করা যাবে না।’
খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে সমাবেশে মুখ্য আলোচক ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পীর সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ভারপ্রাপ্ত অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুর বারী হেলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্তকুমার কুন্ডু, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবর রহমান, সাহারুজ্জামান মোর্তজা, সাঈদ সোহরাব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান প্রমুখ।









