বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ কর্মসূচি হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। কর্মসূচি সফল করতে আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি। নেতাকর্মীরা কোনও লাঠি বহন করবে না, তবে তারা প্ল্যাকার্ড বহন করবে।’
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
দুদু বলেন, ‘খুলনায় বিএনপির কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করতেই দুদিনের পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে প্রচার মাইকে হামলা হয়েছে। এই পর্যন্ত ছয়টি মাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। দুটি মাইক নিয়ে গেছে। প্রচারণার কাজে অংশ নেওয়া কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। নদীপথে ট্রলার বন্ধ করে জনসমাগম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু কোনও বাধাই বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ রুদ্ধ করতে পারবে না।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এই বাহিনী (পুলিশ) বাংলাদেশের। কোনও দলের না। নিজের স্বার্থে, দলের স্বার্থে তাদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে। অতীতে কোনও আইজিপি অবসরে যাওয়ার পর পুলিশ সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে হয়নি। আমেরিকা মানবাধিকার প্রশ্নে সাত জনকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিএনপি স্বৈরতন্ত্রকে বিদায় জানিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম করছে। যারা স্বৈরতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান করছেন তাদেরকে বলছি, এই দিনই শেষ দিন না। আরও দিন আছে।’
খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন দাবি করেন, ‘বিভাগীয় কর্মসূচি বানচাল করতে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাবির আলী, ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বুলবুল মোল্লার বাড়িতে পুলিশ গত রাতে অভিযান চালিয়েছে। সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার কয়েকজন পুলিশ মোটরসাইকেল বহর নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। বিএনপি কোনও ধরনের সহিংসতা চায় না। কিন্ত এসব অপতৎপরতা চালিয়ে গণ সুনামিকে রুদ্ধ করা যাবে না।’
প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল, বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা, সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তারিকুল ইসলাম জহির উপস্থিত ছিলেন।









