২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের পর বিএনপি থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে যোগ দেন আট কাউন্সিলর। এর মধ্যে মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন দায়িত্বও পেয়েছেন তাদের কেউ কেউ। তবে ১২ জুন অনুষ্ঠিত কেসিসি নির্বাচনে হেভিওয়েট সেই কাউন্সিলরদের পাঁচজনই পরাজিত হয়েছেন।
সূত্রমতে, খুলনার রাজনীতিতে বিএনপির ভোট ব্যাংক বলে খ্যাত ওয়ার্ডগুলোতে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণে নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। সর্বশক্তি নিয়েও প্রতিদ্বদ্বী প্রার্থীরা বার-বার পরাজিত হন।
আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া কাউন্সিলররা হলেন- ২ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার বিজয়ী সাইফুল ইসলাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শামসুদ্দিন প্রিন্স, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তিনবারের মত বিজয়ী সুলতান মাহমুদ পিন্টু, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ডালিম হাওলাদার, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে দুইবারের কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনি, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আনিছুর রহমান বিশ্বাস, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ছয়বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর শেখ গাউসুল আযম।
এর মধ্যে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শামসুদ্দিন প্রিন্স, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ গাউসুল আযম ছাড়া বাকিরা পরাজিত হয়েছেন।
তবে ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজুল হাসান রাজু ১৮ নম্বর এবং জেলা শ্রমিক দলের সাবেক সদস্য সচিব জাকির হোসেন বিপ্লব ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তারা দু’জনেই এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত।








