চুয়াডাঙ্গায় ডাকাতি মামলায় ১২ জনের কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ২১:৪২ আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ২১:৪২

চুয়াডাঙ্গায় ডাকাতি মামলায় ১২ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযাগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মাসুদ আলী আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জীবননগর উপজেলার নিধিকুন্ডু গ্রামের ছোট আলীর ছেলে কবির হোসেন, করচাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সোলেমান হক, মেহের আলীর ছেলে বকুল মিয়া, মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খাঁ পুরন্দপুর গ্রামের মৃত সোহরাব হোসেনের ছেলে মাসুদ রানা, জীবননগর উপজেলার করচাডাঙ্গা গ্রামের মেহের আলীর ছেলে রহম আলী, একই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে আরজ আলী, আখের আলীর ছেলে ফারুক হোসেন, খালেক মিয়ার ছেলে বকুল মিয়া, মীর মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী, আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল হান্নান এবং একই উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের জুলফিকার আলীর ছেলে তবি মিয়া। এর মধ্যে পলাতক রয়েছেন আব্দুল হান্নান।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৭ এপ্রিল রাতে জীবননগর উপজেলার নিধিকুন্ডু গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ১০-১৫ জন মুখোশ পরা ডাকাত। এ সময় নুর ইসলামের ঘরে থাকা স্টিলের আলমারি থেকে ২৩ হাজার, বিছানার নিচ থেকে ১১ হাজার ৫০০, স্ত্রীর ১০ হাজার টাকা মূল্যের পাঁচ আনা স্বর্ণের দুল এবং চাচাতো ভাই কবির হোসেনের বাড়ি থেকে সাত হাজার ৩০০ টাকা ডাকাতি করে তারা। এ ঘটনায় নুরুল ইসলাম ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে জীবননগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মহব্বত আলী। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। তাকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে ১২ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাকি চার জন খালাস পেয়েছেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘১২ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’ 

আসামিপক্ষের আইনজীবী ফজলে রাব্বী বলেন, ‘এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। কারণ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই।’

/এএম/
সম্পর্কিত
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষ-গুলশান আরা কারাগারে
স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে নতুন মোড়, কথিত প্রেমিক রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
হাসপাতালে যুবককে পিটিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেফতার ২, এখনও ফেসবুকে সক্রিয় প্রধান আসামি
সর্বশেষ খবর
ইতিহাস গড়ে যোগ দেওয়ার ৬ দিনের মাথায় চাকরি হারালেন ট্রাম্পের প্রেস সচিব
ইতিহাস গড়ে যোগ দেওয়ার ৬ দিনের মাথায় চাকরি হারালেন ট্রাম্পের প্রেস সচিব
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রাইভেটকারের ধাক্কায় রিকশাচালক নিহত, আহত ২
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রাইভেটকারের ধাক্কায় রিকশাচালক নিহত, আহত ২
আমাদের দলের প্রার্থী পাস না করলে সেই ইউনিয়নে কোনও কাজ হবে না: চিফ হুইপ
আমাদের দলের প্রার্থী পাস না করলে সেই ইউনিয়নে কোনও কাজ হবে না: চিফ হুইপ
মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেফতার ৪
মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেফতার ৪
সর্বাধিক পঠিত
মৃত্যুর ৪ দিন পর দাফন, নাসিমা খানের জানাজায় ছিলেন না বড় কোনও তারকা
মৃত্যুর ৪ দিন পর দাফন, নাসিমা খানের জানাজায় ছিলেন না বড় কোনও তারকা
ডিসির নির্দেশে রাতারাতি বদলে গেলো দেশলাই কাঠির প্রতিমা
ডিসির নির্দেশে রাতারাতি বদলে গেলো দেশলাই কাঠির প্রতিমা
সরকারি মাঠ দখলের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, বললেন ‘এখন আমাদের সময়’
সরকারি মাঠ দখলের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, বললেন ‘এখন আমাদের সময়’
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই সাজেক ভ্রমণে ৫ শতাধিক পর্যটক
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই সাজেক ভ্রমণে ৫ শতাধিক পর্যটক
বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়া ২ পুলিশ সদস্য কেমন আছেন, জানালেন বিজিবি পরিচালক 
বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়া ২ পুলিশ সদস্য কেমন আছেন, জানালেন বিজিবি পরিচালক