বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘জনগণের প্রত্যাখ্যাত শেখ হাসিনা দেশত্যাগের আগেই শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, মন্ত্রী, এমপি আর দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। এসব আরব্য উপন্যাস কিংবা ঠাকুরমার ঝুলির গল্পগুলোকেও হার মানায়। পাচার করা সেই টাকা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে এখন খরচ করা হচ্ছে।’
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রশাসনে এখনও শেখ হাসিনার লোকজন রয়েছে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা কিংবা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে তারা কোনও পদক্ষেপই নিচ্ছে না। শেখ হাসিনা আগে কাউকে ধরে আনতে বললে পুলিশ বেঁধে এনে আয়নাঘরে ঢুকাতো; তাকে গুম করতো, ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করতো, হাত-পা ভেঙে পঙ্গু করে দিতো। এখন আর তাদের সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে না।’
শেখ হাসিনা হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার দাবিতে এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীসহ নেতৃবৃন্দের ওপর গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের হামলা, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক শওকত আলী দিদারকে হত্যার প্রতিবাদে এই গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খুলনার দাকোপে বিভিন্ন মন্দিরে উড়ো চিঠির মাধ্যমে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার দোসররা বাংলাদেশের মানুষের হাজার বছরের সংস্কৃতি, এ দেশের হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের সৌহার্দ্য বিনষ্টের চক্রান্ত করছে। দেশে কৃত্রিম অরাজকতা তৈরি করে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের পথ সুগমের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। প্রধান বক্তা হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।









