খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও খুলনা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের অবকাঠামো উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রি-একনেক পর্যায়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
এদিন স্টেডিয়াম পরিদর্শনে যান খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, বিসিবি পরিচালক ও খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, বিসিবি পরিচালক ও দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার সম্পাদক শান্তুনু ইসলাম এবং বিসিবি কাউন্সিলর চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন। পরিদর্শন শেষে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, খুলনার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি এখন প্রি-একনেক পর্যায়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। বরাদ্দ নিশ্চিত হলে উন্নয়নকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
বিসিবি পরিচালক শান্তুনু ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। এটি খুলনার ক্রীড়ামোদী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে খুলনার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।
তিনি বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে স্টেডিয়ামটিতে আবারও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন খেলা আয়োজন করা সম্ভব হবে। এতে স্থানীয় খেলোয়াড়রাও অনুপ্রাণিত হবেন।
স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে বিসিবির কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ক্রীড়া সংগঠকরাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য মোল্লা খায়রুল ইসলাম, ক্রীড়া সংগঠক একরামুল কবির মিল্টন, খুলনা জেলা ক্রিকেট দলের কোচ শামসুজ্জামান সবুজ, হেমায়েত উদ্দীন, ওয়াহেদুর রহমান বাবু, আজিজুর রহমান জুয়েল ও সফিউল আলম সবুজসহ স্থানীয়রা।
দীর্ঘদিন বড় ধরনের সংস্কার না হওয়ায় খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে স্টেডিয়ামটির আধুনিকায়নের পাশাপাশি খুলনার ক্রীড়াঙ্গন নতুন গতি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।









