X
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২
১৭ আষাঢ় ১৪২৯

কাগজপত্র ছাড়াই ২৪০টি গাড়ির রেজিস্ট্রেশন

আপডেট : ২৪ মে ২০২২, ১০:০০

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নেত্রকোনা কার্যালয়ে এক তুঘলকি কাণ্ড ঘটেছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই বিপুল পরিমাণ ঘুষ নিয়ে ২৪০ যানবাহনকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ থেকে ২০১৮ সালে ময়মনসিংহ বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক শহীদুল আজমের সময়কালে এসব যানবাহনকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে। তবে এসব যানবাহনের কোনও ফাইল কিংবা নথিপত্র অফিসে সংরক্ষিত নেই। রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত এসব যানবাহন মালিকের স্থায়ী ঠিকানা চট্টগ্রাম ও খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বিআরটিএ’র দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি।

বিআরটিএ নেত্রকোনা কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০১৯ সালের আগ পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকরা অতিরিক্ত হিসেবে নেত্রকোনা বিআরটিএ কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করতেন। সেখানে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালে কর্মরত ছিলেন সহকারী পরিচালক শহীদুল আজম। ডিজিটালাইজড হওয়ার পর ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ২০ বছরে এই কার্যালয় থেকে ভারী যানবাহন ট্রাক নেত্রকোনা-ট-১১ সিরিয়ালের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ১০টি। কিন্তু ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দুই বছরে একই সিরিয়ালের যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ৪৯টি। এছাড়া মিনি ট্রাক নেত্রকোনা-ড-১১ সিরিয়ালের ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ২০ বছরে পাঁচটি রেজিস্ট্রেশন হলেও ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দুই বছরে হয়েছে ৭৮টি। পিকআপ নেত্রকোনা-ন-১১ সিরিয়ালের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ছয়টি। কিন্তু ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দুই বছরের ব্যবধানে হয়েছে ৮৪টি। মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য স্পেশাল পারপাসের নেত্রকোনা-শ-১১ সিরিয়ালের যানবাহন ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ২০ বছরে তিনটি রেজিস্ট্রেশন হলেও ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দুই বছরে হয়েছে নয়টি। ট্যাংকলরি নেত্রকোনা-ঢ-৪১ সিরিয়ালের যানবাহন ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ২০ বছরে চারটি রেজিস্ট্রেশন হলেও ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দুই বছরে হয়েছে ২১টি।

বিআরটিএ’র নেত্রকোনা কার্যালয়ে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের আবেদন করছেন এক ব্যক্তি

হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ২০ বছরে ২৮টি ভারী যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন হলেও ২০১৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দুই বছরে রেজিস্ট্রেশন পেয়েছে ২৪০টি।

অনুসন্ধান করতে গিয়ে ভারী যানবাহনকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে নেত্রকোনা বিআরটিএ কার্যালয়ের এমন তুঘলকি কাণ্ডের তথ্য এসেছে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দুই বছরে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া এসব যানবাহনের কোনোটি নেত্রকোনার বাসিন্দাদের মালিকানাধীন নয়। রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত ২৪০টি যানবাহনের মালিকদের স্থায়ী ঠিকানা দেখানো হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল। দুই বছরে নেত্রকোনার বাইরের বাসিন্দাদের নামে এত যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন দেওয়া আশ্চর্যের বিষয়।

বিআরটিএ’র নেত্রকোনা কার্যালয়ে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন

অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেছে, নেত্রকোনা-ট-১১-০০১১ সিরিয়ালের ট্রাকের রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে ২০১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর। এই ট্রাকের মালিক মো. এসকান্দার, বাবা আব্দুল হাই, নর্থ কাতরলি, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম। এই সিরিয়ালের শেষটি অর্থাৎ ৮ নেত্রকোনা-ট-১১-০০৬০ সিরিয়ালের ট্রাকের রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে ২০১৮ সালের ৮ মার্চ। এই ট্রাকের মালিক মাসুদুর রহমান, বাবা মোহাম্মদ আলী, আমতলী, ধামরাইপল্লী, ঢাকা। 

নেত্রকোনা-ড-১১-০০০৬ সিরিয়ালের মিনি ট্রাকটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর। এই ট্রাকের মালিক আবুল কালাম, বাবা নুর ইসলাম, ডিটি রোড, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম। মিনি ট্রাকের শেষ রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত অর্থাৎ নেত্রকোনা-ড-১১-০০৮৪ সিরিয়ালের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৮ সালের ৮ মার্চ। এই মিনি ট্রাকের মালিক সাইদুল ইসলাম, বাবা রমজান আলী, সাউথ আমিলাইশ, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। 

নেত্রকোনা-ন-১১-০০০৮ সিরিয়ালের পিকআপটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৬ সালের ৪ ডিসেম্বর। এর মালিক রাশেদ খান, বাবা মাহবুবুল ইসলাম, সহদপুর, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম। এই সিরিয়ালের শেষ রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত অর্থাৎ নেত্রকোনা-ন-১১-০০৯৪ সিরিয়ালের পিকআপটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। এর মালিক মো. ইলিয়াস, বাবা আহমেদ মিয়া, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম। 

বিআরটিএ’র নেত্রকোনা কার্যালয়ে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনপত্র

নেত্রকোনা-শ-১১-০০০৪ সিরিয়ালের মাইক্রোবাসটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৭ সালের ২০ জুন। এর মালিকানা হিসেবে আছেন মো. শাজাহান, বাবা নবী চৌধুরী, জাহানাবাদ, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম। এই সিরিয়ালের শেষ রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত অর্থাৎ নেত্রকোনা-শ-১১-০০১৩ সিরিয়ালের মাইক্রোবাসটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি। এর মালিকানা হিসেবে দেখানো আছে মো. রুবেল হোসেন ও বাবা মো. আব্দুল আলেব, দনিয়ালপাড়া, ডাবলমুরিং, চট্টগ্রাম। 

অপরদিকে, নেত্রকোনা-ঢ-৪১-০০০৫ সিরিয়ালের ট্যাংকলরির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। এই যানের মালিকানা হিসেবে আছেন আরশেদ আলী, বাবা মো. দুখী মাহমুদ, সাউথ ললিতাদহ, বারীনগর, যশোর। ট্যাংকলরির শেষ রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত অর্থাৎ নেত্রকোনা-ঢ-৪১-০০২৫ সিরিয়ালের ট্যাংকলরির রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। এই যানের মালিকানা হিসেবে আছেন মো. মহিউদ্দিন, বাবা নেসার আহমেদ, সলিমপুর জাফরাবাদ, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

বিআরটিএ’র নেত্রকোনা কার্যালয়ে গিয়ে জানা গেছে, ভারী যানবাহন রেজিস্ট্রেশন করতে যানবাহনের সঙ্গে অবশ্যই ইনভয়েস, বিল অব এন্ট্রি, বিল অব লেডিং, কমার্শিয়াল ইনভয়েস, এলসিএ, প্যাকিং লিস্ট, আমদানিকারকের টিওটিটিও সেল রিসিট, সেল ইনট্রিমেশন, টিআইএন নম্বর সনদ, এইচ ফরম এবং ব্যাংক চালানের রশিদ জমা দিতে হবে। তবে রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত ২৪০ যানবাহনের ফাইল কিংবা নথিপত্র বিআরটিএ’র নেত্রকোনা কার্যালয়ে সংরক্ষিত নেই। রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার ক্ষেত্রে এসব কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি।

ময়মনসিংহ বিআরটিএ’র সাবেক সহকারী পরিচালক শহীদুল আজম

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিআরটিএ’র ময়মনসিংহ কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সহকারী পরিচালক শহীদুল আজম ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ে বসে কর্মচারীদের দিয়ে কাগজপত্রবিহীন ২৪০টি ভারী যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন করিয়েছেন। রেজিস্ট্রেশন দিতে প্রতিটি যানবাহন থেকে ৬০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়েছেন। এর কিছু অর্থ কর্মচারীরাও পেয়েছেন। বাকি টাকা শহীদুল আজম নিজের পকেটে ভরেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেত্রকোনা বিআরটিএ কার্যালয়ের বর্তমান সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী মোবারক হোসেন বলেন, ‘১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সালের আগ পর্যন্ত নেত্রকোনা কার্যালয়ে ২৮টি ভারী যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দুই বছরে ২৪০টি ভারী যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। এই দুই বছরে ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শহীদুল আজম অতিরিক্ত কর্মকর্তা হিসেবে নেত্রকোনা বিআরটিএ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সময়ে এসব ভারী যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে।’ 

ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ে কাগজপত্র সংরক্ষণের স্থান

তিনি বলেন, ‘এসব যানবাহনের ফাইল কিংবা নথিপত্র নেত্রকোনা বিআরটিএ কার্যালয়ে সংরক্ষিত নেই। ওই দুই বছরে কীভাবে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, কাগজপত্র নেওয়া হয়েছিল কিনা এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।’

এদিকে, এমন তুঘলকি কাণ্ডে হতবাক স্থানীয় এলাকাবাসী। নেত্রকোনা নগরীর শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নেত্রকোনা বিআরটিএ কার্যালয়ে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ঘুষ নেওয়া হয়। এখনও নেওয়া হয়। তবে ঘুষের বিনিময়ে জালিয়াতি করে এতগুলো পরিবহনকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার ঘটনা আশ্চর্যের।’ 

নেত্রকোনার ট্রাকচালক কলিম উদ্দিন বলেন, ‘ঘুষ ছাড়া নেত্রকোনা বিআরটিএ কার্যালয় থেকে কোনও সেবা পাওয়া যায় না। তবে কাগজপত্র ছাড়া ভারী যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার এ ধরনের ঘটনা এর আগে ঘটেনি। দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ 

গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনপত্র যাচাই করছেন বিআরটিএ’র নেত্রকোনা কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তা

এ ধরনের দুর্নীতির ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে নেত্রকোনা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বেগম রোকেয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘুষ নিয়ে কাগজপত্র ছাড়াই এত সংখ্যক ভারী যানবাহনকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার ঘটনা আমাদের হতবাক করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’ 

বিআরটিএ’র ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ মেসবাহ উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

এ ব্যাপারে জানতে বিআরটিএ’র সাবেক সহকারী পরিচালক শহীদুল আজমকে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি। পরে মোবাইলে এসএমএস দিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলেও সাড়া দেননি। ফেসবুক মেসেঞ্জার এবং হোয়াটসঅ্যাপে নক দিলেও কোনও উত্তর দেননি শহীদুল আজম। 

/এএম/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
হাজী দানেশে ৪ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, তদন্ত কমিটি গঠন
হাজী দানেশে ৪ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, তদন্ত কমিটি গঠন
বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো যুবকের 
বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো যুবকের 
তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
ছেলে-বউয়ের নির্যাতনে বাড়ি ছাড়া মর্জিনা বেওয়া 
ছেলে-বউয়ের নির্যাতনে বাড়ি ছাড়া মর্জিনা বেওয়া 
এ বিভাগের সর্বশেষ
বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো যুবকের 
বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো যুবকের 
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির হিসাব চেয়ে দুদকের নোটিশ
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির হিসাব চেয়ে দুদকের নোটিশ
সেই দম্পতির মৃত্যুর জন্য পরকীয়া প্রেমিকই দায়ী
সেই দম্পতির মৃত্যুর জন্য পরকীয়া প্রেমিকই দায়ী
বিয়ের ৬ দিন পর গৃহবধূকে কুপিয়ে ‘হত্যা’, যুবক গ্রেফতার
বিয়ের ৬ দিন পর গৃহবধূকে কুপিয়ে ‘হত্যা’, যুবক গ্রেফতার
অবসরে যাওয়া সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা
অবসরে যাওয়া সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা