হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে সমাহিত নিত্যরঞ্জন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
১১ জুন ২০১৬, ১৬:৪৮আপডেট : ১১ জুন ২০১৬, ২০:৩৮

পাবনায় ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎসঙ্গ আশ্রমের ঋত্বিক (সেবক) নিত্যরঞ্জন পান্ডের মরদেহ তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আড়ুয়া কংশুর গ্রামের বাড়িতে সমাহিত করা হয়েছে।

পাবনায় সেবাইত হত্যা

আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে সৎসঙ্গের ধর্মীয় আচার আচরণ মেনে শোকাবহ পরিবেশে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার মধ্যরাতে পাবনা থেকে পুলিশ পাহারায় নিত্যরঞ্জন পাণ্ডের মরদেহ আড়ুয়া কংশুর গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। মরদেহ বাড়িতে আনার পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের কান্নায় বাড়ির পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তার মরদেহ সমাহিত করা হয়। এ সময় পাবনা সৎসঙ্গের কর্মী অনিশ চন্দ্র ঢালী, সৎসঙ্গের লাইব্রেরিয়ান ঋত্বিক হৃদ্ধিমান সাহা, পাবনা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসান, পরিবারের সদস্য, স্বজনসহ গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নিত্যরঞ্জন পাণ্ডের স্ত্রী দুলু রানী পাণ্ডে বলেন, আমার স্বামী সৎ, নিরীহ ও ধার্মিক ছিলেন।   গ্রামে ও পাবনার কর্মস্থলে তার কোনও শত্রু ছিল না। তারপরও তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। আমার ছোট মেয়ে সন্দ্বীপা পাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। তার বিয়ে হয়নি। এদিকে স্বামীকে হারালাম। তাই নিজের পাশাপাশি মেয়েকে নিয়ে আমার দুঃশ্চিন্তার শেষ শেষ নেই।

অন্যদিকে নিত্যরঞ্জন পাণ্ডে হত্যার প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে আজ শনিবার সকালে মুকসুদপুর উপজেলার বানিয়ারচরে সৎসঙ্গের পক্ষ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সকাল ১১ টার দিকে সৎসঙ্গের সদস্যরা গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কে হাতে হাত ধরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।

মানববন্ধন চলাকালে সৎসঙ্গের সদস্য প্রেমসুখ দত্ত, সুনীল বিশ্বাস, অমৃত ঢালী, শ্যামল বিশ্বাস সহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ হত্যাকাণ্ডসহ পুরোহিত, সেবাইত, সেবকসহ সব হত্যার বিচার দাবি করেন। তারা সন্ত্রাসী চত্রকে প্রতিহত করে পুরোহিত,সেবকদের নিরাপত্তা দেওয়ার আহবান জানান।

আরও পড়ুন

স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও রায়পুরে লিয়াকত আলী খানের নামে স্কুল!

বাসাবো বৌদ্ধ মন্দিরে সম্প্রীতির ইফতার

 /টিএন/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের