যশোরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে এয়ার কন্ডিশন (এসি) স্থাপনের সময় ছয়তলা থেকে নিচে পড়ে সোহেল (২৫) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আসাদ (৩০) নামে অপর এক শ্রমিক। রবিবার সন্ধ্যায় শহরের ঘোপ জেল রোডের কুইন্স হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহেল শহরের শংকরপুর সরকারি মুরগি খামার এলাকার মোক্তার আলীর ছেলে। আহত অপরজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা কুইন্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়েছে।
কুইন্স হাসপাতালের ম্যানেজার মিঠু সাহা জানান, এলজি কোম্পানির লোকজন নয়তলা ভবনের ছয়তলায় এসি স্থাপনের কাজ করছিলেন। সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার সময় অসাবধানবশত দুইজন শ্রমিক নিচে পড়ে যান। এসময় তাদের ওই হাসপাতালেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইউসুফ আলী সোহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এন কে আলম জানান, আহত যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মাথা ও বুকে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে এবং একটি পা ভেঙে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
নিহতের বাবা মোক্তার আলী জানান, তার ছেলে সোহেল ও আসাদ এলজি কোম্পানির যশোরের টেকনিশিয়ান আজিজুল ইসলামের তত্ত্বাবধায়নে কাজ করতো।
কোতয়ালী থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, ছাদে কাজ করার সময় নিচে পড়ে গিয়ে এক শ্রমিক নিহত এবং একজন আহত হওয়ার সংবাদ শুনেছি। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
/এমও/








