খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত কুমার ওরফে রবিউল ওরফে বাদশা (৩৫) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ওসিসহ ৬ পুলিশ আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। শনিবার ভোর রাতে চুকনগরের হাসানিয়া দাখিল মাদ্রাসা রোডের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। ডুমুরিয়া থানার এএসআই মো. মামুন আক্তার ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত রবিউল স্থানীয় মালতিয়া গ্রামের মৃত জাফর ওরফে জহর আলীর ছেলে।
এএসআই মো. মামুন আক্তার জানান,রাতে হাসানিয়া দাখিল মাদ্রাসা এলাকার সড়কে একটি দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন খবরের ভিত্তিতে ওসি সুকুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি শুরু করে। পুলিশও সতর্ক অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলি চালাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে ডাকাতরা বিভিন্ন গলিপথে পালিয়ে যায়। পরে ওই এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত রবিউলকে পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা পর চিকিৎস মৃত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আহত ওসিসহ ৬ পুলিশকেও এ হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা ওসিসহ চার জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়েছেনস। আর ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন এসআই নিমাই চন্দ্র ও এস আই নুরুল আমিন।
তিনি জানান, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় তৈরি একটি শর্টগান, দা, চাপাতি, ছোড়া, গ্রিলকাটার, গুলির খোসাসহ বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশ ১৭ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ খুলনা মেডিক্যল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রবিউলের নামে ডুমুরিয়া থানায় ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৫টি মামলা রয়েছে।
আরও পড়তে পারেন: কুষ্টিয়ার আস্তানা থেকে জেএমবির আমিরের স্ত্রীসহ তিন ‘নারী জঙ্গি’ আটক







