গাজীপুরের কালীগঞ্জে সন্ত্রাসীর গুলিতে নিহত সাবেক সংসদ সদস্যের ছেলে হাবিবুর রহমান ফয়সাল মিয়া (২৬) খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড় বোন মাসুমা সুলতানা মুক্তা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে কালীগঞ্জ থানায় এ হত্যা মামলা (নং-১) দায়ের করেন। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলম চাঁদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে, ঘটনার পর থেকেই মামলার মূল আসামি তৌহিদুল ইসলাম রিমন পলাতক রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত ফয়সালের বড় বোন মাসুমা সুলতানা মুক্তা বাদী হয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ভাদগাতী গ্রামের সাইদুল ইসলাম ওরফে মোসলে উদ্দিন মাস্টারের ছেলে রিমনকে (২৮) প্রধান আসামি করে ছয় জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও তিন-চার জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
ওসি আলম চাঁদ বলেন, ‘মামলায় রিমনের বাবাকেও আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার রাতেই একই গ্রামের হানিফার ছেলে, মামলার ২নং আসামি নওশাদকে গ্রেফতার করেছে। তবে অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’
উল্লেখ্য, রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফয়সাল বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি একটি কলা বাগানের পাশে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। গুলিতে আহত ফয়সাল দৌড়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে স্থানীয় কিরণ মিয়ার দোকানের সামনে লুটিয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা প্রয়াত মোখলেছুর রহমান জিতু মিয়া ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কালীগঞ্জের (বর্তমান গাজীপুর-৫ সংসদীয় আসন) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৯৭৩ সালে কালীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন-
কালীগঞ্জে সাবেক এমপিপুত্র হত্যায় গ্রেফতার ১
চাটখিলে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কলেজের জবাবদিহিতামূলক ভিডিও কনফারেন্স
/টিআর/







