এ সপ্তাহের মধ্যে রোহিঙ্গা শূন্য হচ্ছে বান্দরবান

বান্দরবান প্রতিনিধি
২১ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:৫৩আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:৫৩

 তমব্রু সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ২৮ হাজার ১৬০ জন নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের চাকঢালা ও ঘুমধুমের তমব্রু সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে আশ্রয় নিয়েছিল। এরমধ্যে ঘুমধুম ইউনিয়নের তমব্রু সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া ১৮ হাজার ৬৩৮ জনকে কক্সবাজারের কুতুপালং এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সেখানে আর কোনও রোহিঙ্গা শরণার্থী নেই। তবে নাইক্ষ্যংছড়ি চাকঢালা সীমান্তের ৩টি শরণার্থী ক্যাম্পে এখনো ৯ হাজার ৫২২ জন রোহিঙ্গা রয়েছে। যাদের চলতি সপ্তাহের মধ্যে কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক ।

তমব্রু সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বান্দরবানে আশ্রয় নেওয়া ২৮ হাজার ১৬০ জন রোহিঙ্গার মধ্যে ১৬ হাজার ১৬০ জন ‍নিবন্ধিত এবং ১২ হাজার রোহিঙ্গা অনিবন্ধিত। নো ম্যানস ল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গার ওপর যে কোনও মুহূর্তে ওই দেশের সেনাবাহিনী হামলা করতে পারে এ আশঙ্কায় তাদের কক্সবাজারের বালুখালী ও কুতুপালংয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।  এখনো নাইক্ষ্যংছড়ি চাকঢালা সীমান্তে অবস্থানকারী শরণার্থী রোহিঙ্গাদের জন্য ১২ হাজার ৬১৫ কেজি চাল, ৬২৮কেজি ডাল, ১হাজার  ৫০২ কেজি লবন, ৫শ’ কেজি চিড়া, ৭২৪ কেজি চিনি, ১ হাজার ২শ’ লিটার তেল, পেয়াজ ও রসুন ৩২৩ কেজি, ১৫১ প্যাকেট বিস্কুট, ১হাজার ২শ’ পিস লুঙ্গি, ১৩৭ বস্তা কাপড়, ৬৪০টি কোরান শরীফ, ৪০টি জায়নামাজ, ১ হাজার পিস কম্বল, ৩ হাজার ৫শ’ টি সাবান ও ২৫২টি প্লেট ছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ মজুদ রয়েছে। 

তমব্রু সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমাদের এখানে থাকাকালীন সময় কোনও রোহিঙ্গা শরণার্থী না খেয়ে মরে নাই। তারা প্রত্যেকেই নিজের ঘরের মত এখানে বসবাস করেছে। তবে তাদের এখানে থাকাটা নিরাপদ ছিল না। তাই তাদের কক্সবাজারের বালুখালী ও কুতুপালং এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা এখনও রয়েছে তাদেরকেও এ সপ্তাহের মধ্যে কুতুপালং-এ পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়তে পারেন: টেকনাফে রোহিঙ্গা দম্পতির হামলায় পুলিশের এসআই আহত

 

/জেবি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
৩০০ ফিটে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের