রংপুর নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এ সময় বজ্রাঘাতে দুজন মারা গেছে। অপরদিকে ঝড়ে ঘরবাড়ি ও গাছপালা উপড়ে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।
বজ্রাঘাতে মারা যাওয়া শামিমের বাড়ি বদরগঞ্জ ও নয়া মিয়ার বাড়ি তারাগঞ্জে। তারা ক্ষেতমজুর।
শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে প্রচণ্ড ঝড় রংপুর নগরী ছাড়াও গঙ্গাচড়া, পীরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। বিশেষ করে ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানক্ষেত, ভুট্টাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
তবে বেশি ক্ষতি হয়েছে পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
পীরগঞ্জ উপজেলার কাবিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম, টুকুরিয়ার চেয়ারম্যান আতোয়ার রহমান ও চতরা ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক শামীম জানান, ঝড়ের চেয়ে শিলাবৃষ্টিতে তাদের এলাকায় বেশি ক্ষতি হয়েছে। কমপক্ষে ৬০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জনকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আলী জানান, ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার।
আরও পড়ুন:
‘এমন শিলাবৃষ্টি জীবনেও দেখিনি’
‘শিলত ধানের গাছ ভাঙ্গি গেইছে, আবাদ না হইলে কি খায়া বাচিম!’








