চিকিৎসক দম্পতির বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসায় আবারও প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

Send
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশিত : ০০:৫৩, অক্টোবর ২০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:৫৮, অক্টোবর ২০, ২০২০

পটুয়াখালীপটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী বন্দরে মাজেদা ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় হ্যাপী বেগম (২৪) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় স্বজনরা প্রসূতির অস্ত্রোপচার করা চিকিৎসক দম্পতিকে অভিযুক্ত করেছেন। কয়েকদিন আগে তাদের বিরুদ্ধে আনা আরও এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগের তদন্ত চলছে।  

হ্যাপি বেগমের বাড়ি বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে। তার স্বামীর নাম মো. সোহেল চৌকিদার।

হ্যাপীর দেবর সজীব চৌকিদার জানান, তার ভাবির প্রসবব্যথা শুরু হলে গত শনিবার দুপুরে মাজেদা ডায়াপগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক নয়ন সরকার দেখে সিজারিয়ান অপারেশনের কথা বলেন। সে অনুযায়ী ওইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে ডা. নয়ন সরকার ও তার স্ত্রী ডা. পূজা ভান্ডারী অস্ত্রোপচার করেন। হ্যাপির ছেলে সন্তান জন্ম হয়। অস্ত্রোপচারের পর তার ভাবির জ্ঞান না ফিরলে ওইদিন রাত ২টার দিকে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরদিন রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মারা যান।

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ওই চিকিৎসক দম্পত্তির ভুল চিকিৎসায় বাউফল হাসপাতালের সামনে সেবা ক্লিনিকে সিজারিয়ান করার আগে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পরে জ্ঞান ফেরেনি আরও এক প্রসূতির। পরে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করা হয়। বরিশাল যাওয়ার পরে চিকিৎসক ওই প্রসূতিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনসহ একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তনাধীন আছে।

এ বিষয়ে চিকিৎসক নয়ন সরকারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

আগের ঘটনায় কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? জানতে চাইলে জেলা সিভিল সার্জন মো. জাহাঙ্গীর আলম সিপন বলেন, ‘এর আগেও ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এ জাতীয় অভিযোগ পেয়েছি। সেটির তদন্ত চলছে। এ বিষয়টিতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই চিকিৎসককে ছাড় দেওয়া হবে না।’ 

আরও খবর: বন্ধের নির্দেশ দেওয়া ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশন, প্রসূতির মৃত্যু

 

 

/এমএএ/

লাইভ

টপ