বগুড়ার শাজাহানপুরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, একাধিক হত্যা মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ ক্যাডার রিমু ও তার লোকজন কোহিনুর বেগম (৫৪) নামে এক বিধবাকে মারপিটের পর কাদা মাটিতে মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে ওই উপজেলার ফুলদীঘি মধ্যপাড়ায় প্রকাশ্যে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, জায়গা দখলে ব্যর্থ হওয়ায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এ ঘটনায় রিমুর স্ত্রীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন বগুড়ার শাজাহানপুরের ফুলদীঘি মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ক্যাডার রিমুর স্ত্রী রুমা, মৃত কলিম উদ্দিনের ছেলে আবদুস সবুর, শহিদুল করিমের ছেলে রিফাত হোসেন এবং আবদুর রাজ্জাকের ছেলে এমদাদুল হক।
শাজাহানপুর থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, ফুলদীঘি মধ্যপাড়ার ফজলুল হক ওরফে ঝরুর ছেলে রিমু চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাসহ ৫-৬টি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়ে তিনি প্রতিবেশী মৃত লয়া মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগমের বসতবাড়ি দখলের পরিকল্পনা করেন। ব্যর্থ হওয়ায় ওই বিধবাকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন।
শুক্রবার সকালে কোহিনুর বেগমের গরু রিমুর জমির ফসল খেয়েছে এমন অজুহাতে কোহিনুরকে মারপিট শুরু করেন রিমু। একপর্যায়ে রিমু ও তার সহযোগীরা ওই বিধবাকে জমির মধ্যে নিয়ে গিয়ে কাদায় মুখ ঢুকিয়ে দেয়। এতে শ্বাসরোধে কোহিনুর বেগম মারা যান। পরে ঘাতকরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে অভিযান চালিয়ে রিমুর স্ত্রী রুমাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে নিহতের ভাই আবদুল মান্নান থানায় রিমুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।
আরও পড়ুন:
ওভারটেকিং করতে চেয়েছিলেন চালকরা: পুলিশ
/বিটি/






