নাটোর সদর উপজেলার বড় হরিশপুর বাগানবাড়ি এলাকায় ভিন্ন দুটি বাড়িতে জঙ্গি সন্দেহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়েছে। তবে সেখানে কোনও জঙ্গি বা কোনও বিস্ফোরকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। অভিযান শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে নাসরিন গার্ডেন নামে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কিসমত আলী নামে ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে তারা। তার বিরুদ্ধে দুটি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ মে) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে নাসরিন গার্ডেন নামে ওই বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। বগুড়া গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান চলে। নাটোরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার এএপি খায়রুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
খায়রুল আলম বলেন, ‘বড় হরিশপুর বাগানবাড়ি এলাকার তিনতলা বিশিষ্ট নাসরিন গার্ডেনে কয়েকজন জঙ্গি অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে বগুড়া থেকে একদল ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের সঙ্গে যোগ দেন নাটোরের পুলিশ। প্রায় সোয়া ১২টার দিকে নাছরিন গার্ডেনে অভিযান শুরু করা হয়। এসময় কোনও জঙ্গি বা কোনও বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়নি। এসময় নাসরিন গার্ডেন থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি কিসমতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাসরিন গার্ডেনে অভিযান শেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিকটবর্তী ডাক্তার আব্দুস সামাদের একতলা বাড়িতে অভিযান চালায়। কিন্তু সেখানেও কোনও জঙ্গি বা কোনও ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়নি। এরপর দুপুর পৌনে ২টার দিকে অভিযান সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে নাছরিন গার্ডেনের মালিক, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আমজাদ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, তার তিনতলা বিশিষ্ট বাড়িতে ৬টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এরমধ্যে দুটি ফ্ল্যাটে তিনি ও তার ছেলে সোহেল থাকেন। অপর চারটি ফ্ল্যাটে ওষুধ কোম্পানির এসআর আরিফ, ইন্সপেক্টর শাহ আলম, এলজিআরডি’র আরএম শাম্মি আক্তার ও এক্সিম ব্যাংক কর্মকর্তা সোহাগ ভাড়া থাকেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও তার বাড়িতে কোনও জঙ্গি বা বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে সদর থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃত কিসমতের বিরুদ্ধে দুটি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
/এআর/এপিএইচ/








