সিরাজগঞ্জ-বগুড়া মহাসড়ক, নাটোর-বনপাড়া মহাসড়ক, পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কের খানাখন্দ সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সিরাজগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্থ হাটিকুমরুল মোড় ও নলকা সেতু এলাকাসহ মহাসড়কের কয়েকটি জায়গা পরিদর্শন শেষে বুধবার (৯ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
পাশাপাশি গত রোজার ঈদের আগে-পরে সিরাজগঞ্জের তিনটি মহাসড়কসহ আলোচিত নলকা সেতুর ওপরিভাগে খানাখন্দ মেরামত ও সংস্কারের নামে নয়ছয় এবং কাজ না করে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ৬ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সিরাজগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামালকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এছাড়া পাবনা অঞ্চলের তত্বাবধায় প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান এবং রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু রওশনকে শোকজ করেন।
সিরাজগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামালকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে সওজ প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করারও তাৎক্ষনিক নির্দেশ দেন মন্ত্রী। সিরাজগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী মোফাজ্জল হায়দারকে অতিরিক্তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান।এ সময় এ তিন প্রকৌশলীই মন্ত্রীর সঙ্গেই ছিলেন।
সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহাজাদপুর) আসনের সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপন, সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকা ও হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।
উল্লেখ্য সিরাজগঞ্জের ওইসব মহাসড়কের যাত্রী দুর্ভোগ, যানজট ও যানবাহনের ধীরগতি নিয়ে রোজার ঈদের আগে ও পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একধিক সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সমন্বয় সভায় সম্প্রতি ওইসব রাস্তার সংস্কার ও মেরামত কাজের ধীরগতি নিয়ে জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকার তোপের মুখে পড়েন সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী।
/এফএস/








