বগুড়ায় ইজিবাইকের চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আবু সাঈদ শেখ (৩০) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। শুক্রবার রাতে কলোনির করতোয়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে। সদর থানার ওসি (তদন্ত) আসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, হামলাকারী ও হামলার শিকাররা একসঙ্গে চলাফেরা করতো অভ্যন্তরীন বিরোধের জের ধেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে শনিবার বিকাল পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি। তাই কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই সামসাদ আলম জানান, ছোট ভাই আবু সাঈদ তার ঠিকাদারি সাইড দেখাশোনা করার পাশাপাশি যুবলীগের রাজনীতি করতো। ইজিবাইকে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হাবিব রাসেল, তার ভাই রয়েল, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বাদুড়তলার মিঠুন, বৃন্দাবনপাড়ার পিয়াস, চকলোকমানের কামরানসহ ৮-৯ জন তার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার বাদ আসর জামিল মাদ্রাসায় সাঈদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভাইপাগলা গোরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে। শনিবার রাতে বা রবিবার সকালে সদর থানায় হত্যা মামলা করা হবে।
এ ব্যাপারে বগুড়া জেলা সিএনজি ও ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি ও শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাপ্পী বলেন, ‘চাঁদাবাজির শিকার ইজিবাইক চালকদের পক্ষে প্রতিবাদ করতে গিয়ে সাঈদ খুন হয়েছেন।’ তিনি এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু ফোন বন্ধ রাখায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: এস আলম গ্রুপের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরও একজন গ্রেফতার








