বগুড়ার আদমদীঘি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে পরিষদের একটি বড় কড়ই গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাছ কাটা বন্ধ রাখতে ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা গেছে, আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন কার্যালয়ের জায়গায় অর্ধশত বছরের একটি বড় কড়ই গাছ রয়েছে। অর্ধ লাখেরও বেশি টাকা মূল্যের গাছ চেয়ারম্যান মাত্র ২৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। গত বুধবার থেকে গাছটি কাটা শুরু হয়।
চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করায় স্থান সংকট তৈরি হয়েছে। তাই স্টোর রুমের জন্য গাছটি বিক্রি করা হয়েছে। গাছ বিক্রির টাকার সঙ্গে পরিষদের তহবিলের একটি প্রকল্প করে স্টোর রুম নির্মাণ করা হবে। এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিমের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়। ইউএনও’র পরামর্শে আবেদন করলে তিনি তা প্রায় দেড় মাস আগে বন বিভাগের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়ে দেন। এ প্রক্রিয়াটি ধীরগতি এবং স্টোর রুম নির্মাণ জরুরি হওয়ায় সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া না মেনে গাছ বিক্রি ও কাটা শুরু হয়। এতে কারও ব্যক্তিস্বার্থ জড়িত নেই।
বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদেকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনাটি জানেন না বলে জানান। তবে তিনি আইনগত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না করা পর্যন্ত গাছ কাটা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।







