সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার পাইকপাড়া থেকে বগুড়ার ধুনট উপজেলার দিঘলকান্দি পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার পাকা সড়ক সংস্কার না করায় বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধুনট উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগ সড়কটি নির্মাণ করে।
জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগ ৯ বছর আগে কাজিপুর উপজেলার পাইকপাড়া থেকে বগুড়ার ধুনট উপজেলার দিঘলকান্দি পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার সড়ক পাকা করে। সড়কটি প্রথমে ধুনট এলজিইডির নির্মাণ করার কথা থাকলেও পরবর্তীতে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগ কাজিপুর উপজেলার পাইকপাড়া থেকে কাজিপুরের ভানুডাঙ্গা পর্যন্ত হাইওয়ে সড়ক দেখিয়ে তাদের তত্ত্বাবধানে পাকা করে। তবে সড়কটির নির্মাণ কাজ বগুড়া জেলার ধুনটের দিঘলকান্দি পর্যন্তই শেষ হয়ে যায়।
ধুনট উপজেলার এলজিইডির জহুরুল ইসলামজানান, সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাড়ে তিন কিলোমিটার পাকা সড়কের মধ্যে আধা কিলোমিটার কাজিপুর উপজেলায়। বাকি তিন কিলোমিটার সড়কই ধুনট উপজেলার মধ্যে। সিরাজগঞ্জ সওজের তৎকালীন কর্মকর্তারা ওই সড়কটি তাদের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করে। এ কারণে সড়কটি ভেঙ্গে গেলেও ধুনট উপজেলা এলজিইডি মেরামত করতে পারবে না। এমনকি ওই সড়কে কোনও ধরনের বরাদ্দও দেওয়া সম্ভব নয়।
ধুনটের চৌকিবাড়ী গ্রামের ধান ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম, কৃষক ফজর আলী ও হোসেন আলী বলেন, ‘পাইকপাড়া-দিঘলকান্দি সড়ক দিয়ে ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ী ও গোপালনগর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সাড়ে তিন কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে দু’পাশ ভেঙ্গে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে মাটি বের হয়েছে। এতে ওই সড়কে কৃষিপণ্য পরিবহনসহ জনসাধারণের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে স্থানীয়রা বালুর বস্তা ও খোয়া ফেলে মেরামত করলেও তা বৃষ্টির পানিতে আবারও ধসে যায়।’ এলাকাবাসী অবিলম্বে সড়কটি সংস্কার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।







