নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিলা উত্তরপাড়া গ্রামের গৃহবধূ শারমিন এবং তার প্রতিবন্ধী শিশুকে হত্যার কথা তার দেবর স্বীকার করেছে বলে পুলিশের দাবি। বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এমন দাবি করেন পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন।
এ সময় সংশ্লিষ্ট থানার ওসি শফিকুর রহমান এবং মামলার আইও আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন জানান,বুধবার সকালে শারমিন ও তার প্রতিবন্ধী শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। রাত পৌনে এগারোটার দিকে শারমিনের বাবা ওমর ফারুক বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শারমিনের দেবর মাহবুল আলম মুক্তাসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এর আগেই ভিকটিম শারমিনের দেবর মাহবুবুল আলম মুক্তা ও তার স্ত্রী তানিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ।
ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে মাহবুবুল আলম মুক্তা স্বীকার করেছে,তারা একান্ন পরিবারে বসবাস করে। বিয়ের পর থেকেই শারমিন তাকে দেখতে পারতো না। এরপর প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মের পর থেকে চিকিৎসা কাজে অনেক টাকা ব্যয় হতো। এছাড়াও শিশুটি দিনরাত চিৎকার-চেচামেচি করত। এসব কারণ তাকে রাগান্বিত করে তুলেছিল। মঙ্গলবার মধ্যরাতে সে শারমিনের ঘরে ঢুকে গলায় ওড়না পেচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর ওই প্রতিবন্ধী শিশুকে হত্যা করে পাশের ডোবার কচুরিপানার মধ্যে ফেলে দেয়।
নলডাঙ্গা থানার ওসি শফিকুর রহমান জানান,১৬১ ধারায় আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
মামলার আইও এসআই আনিসুর রহমান জানান,বৃহস্পতিবার বিকেলে আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।








