পাবনায় চলন্ত বাস থেকে ফেলে সুমন হোসেন নামের এক যাত্রীকে হত্যার ঘটনায় বাসের সুপারভাইজার ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এর আগে বিকালে সুমনের স্ত্রী রুমা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অরবিন্দ সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বাসের সুপারভাইজার রোকন ও হেলপার নাছিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। বাসটি এখনও জব্দ করা যায়নি।
সুপার সনি বাসের মালিক আসলাম উদ্দিনের বাড়ি ঈশ্বরদীতে। তার মোবাইলফোনে বারবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
প্রসঙ্গত, পাবনার পাকশী লালন শাহ সেতুর টোল প্লাজার কাছে বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে সুপার সনির বাসে (ঢাকা মেট্টো-ব-১৫-১৭৬৮) এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর টোল প্লাজার সিসিটিভির ফুটেজ দেখে বাসটি শনাক্ত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সুমন ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ঝাউতলা গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।
লালন শাহ সেতুর টোলপ্লাজার সুপারভাইজার শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) জানিয়েছিলেন, ‘সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, চলন্ত বাস থেকে তাকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আমরা দ্রুত স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলাম। পরে জানতে পেরেছি, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত ১১টায় চিকিৎসকেরা সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন।’







