রাবির বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের মর্যাদাহানি হওয়ায় অপসারণের সুপারিশ

রাবি প্রতিনিধি
২৭ জানুয়ারি ২০২০, ০৬:০০আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ০৬:২০

রাবির বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের মর্যাদাহানি হওয়ায় অপসারণের সুপারিশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকের শিল্পকর্মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মর্যাদাহানি ঘটেছে উল্লেখ করে  ভাস্কর্যটি অপসারণের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়,বঙ্গবন্ধু শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন না এবং আলোচিত স্মৃতিফলকের যে স্থানে ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে সেটি সঠিক হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সাবেক ভিসি মিজানউদ্দীনের সময় লাইব্রেরি চত্বরের দক্ষিণ দিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকের নির্মাণ শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন জন শহীদ শিক্ষক-বুদ্ধিজীবী ও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়। বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক নামে তৈরি হলেও এতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। যেখানে তিন বুদ্ধিজীবীকে উপরে এবং বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে তুলনামূলক নিচে স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই এটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭৩তম সিন্ডিকেট তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

সম্প্রতি তদন্ত কমিটি পাঁচ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে কমিটি শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকের স্থান নির্ধারণ, নামকরণ, নির্মাণ প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অর্থের উৎসসহ চারটি বিষয়ে মন্তব্য ও পাঁচটি সুপারিশ করে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাবির শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক নির্মাণে ২০১৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭০তম সিন্ডিকেট সভায় ৮২ লাখ ৬৫ হাজার ১৬১ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে স্মৃতিফলকের জন্য খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৭৬ লাখ ৫৮ হাজার ৯১৫ টাকা জমা হয়। এছাড়া কাঁচামাল ক্রয়সহ হিসাবে নানা গড়মিল রয়েছে।

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক নির্মাণে মূল দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মনেকরি বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকে বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করা হয়নি। উত্তোলনের টাকা কোন খাতে কতটাকা ব্যয় হয়েছে সবকিছুর ভাউচার রয়েছে। তদন্ত কমিটি গত আড়াই বছরে একবার বসেছে মাত্র। কমিটির প্রশাসনের কাছে চাওয়া-পাওয়া রয়েছে। যার কারণে প্রশাসনের নির্দেশে তারা একটি ফরমায়েশি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান ও রেজিস্টার অধ্যাপক এমএ বারীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা কেউই ফোন ধরেননি।

/এনএস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
দেশের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে বৃষ্টি
দেশের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে বৃষ্টি
জর্দার কৌটায় শেষ ১০ বছরের সঞ্চয়!
জর্দার কৌটায় শেষ ১০ বছরের সঞ্চয়!
টিভিতে আজকের খেলা (৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)
টিভিতে আজকের খেলা (৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)
উচ্চমূল্যে সার বিক্রি, ডিলারকে জরিমানা
উচ্চমূল্যে সার বিক্রি, ডিলারকে জরিমানা
সর্বাধিক পঠিত
শিশু কোলে ছবি দিয়ে পরীমণি বললেন ‘তিন নম্বর জন ডান’
শিশু কোলে ছবি দিয়ে পরীমণি বললেন ‘তিন নম্বর জন ডান’
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
৪০০ হিট, ৫০ ব্লকবাস্টার: অমিতাভ-শাহরুখ-রজনীকান্তকে পেছনে ফেলা ভারতের সবচেয়ে সফল অভিনেতা
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ
হিজড়া ‘গুরুমাকে’ হত্যা করে আরেক নেত্রীর ঘরে আশ্রয়, জানালেন খুনের কারণ
গতকাল নতুন বাসায় উঠেছিলেন চিকিৎসক, আজ মিললো লাশ
গতকাল নতুন বাসায় উঠেছিলেন চিকিৎসক, আজ মিললো লাশ
স্রোতে ভেসে যাওয়া ফেরি ফিরলো পাটুরিয়া ঘাটে
স্রোতে ভেসে যাওয়া ফেরি ফিরলো পাটুরিয়া ঘাটে