রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পথে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন গোদাগাড়ীর কেল্লাবারুইপাড়া মহল্লার রমজান আলী (৪২) এবং রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রী আতিয়া খাতুন পূর্ণিমা (২৩)। এর মধ্যে রমজান রবিবার (১ মার্চ) ভোরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এবং পূর্ণিমা শনিবার মারা যান। এ নিয়ে শনিবারের (২৯ ফেব্রুয়ারি) এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ জন।
নিহত অপর ছয় জন হলেন—রমজানের স্ত্রী আসিয়া বেগম (৩৫), ভাইরা মোসাব্বির হোসেন আক্কাশ (৪০), আক্কাশের স্ত্রী হোসনে আরা (৩৪), তার মেয়ে মুসফিরা খাতুন (৭), ছেলে আদিব আল হাসান (১) ও প্রাইভেটকারচালক মাহবুবুর রহমান ওরফে রাজীব (৩৫)।
এ দুর্ঘটনায় এখন শুধু রমজানের মেয়ে রাফিয়া খাতুন (৮) বেঁচে আছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) তার চিকিৎসা চলছে।
স্বজনরা জানিয়েছেন, রমজান পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকেন। তার শ্বশুরবাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের দেবীনগর চর চাকলাম গ্রামে। শনিবার তার শ্যালক সেলিম রেজার বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। শনিবার সেলিম গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী মহল্লায় বিয়ে করতে আসেন। আর এ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে রাজশাহী আসেন রমজান। রাতে নগরীর মেহেরচণ্ডি এলাকায় ভাইরা মোসাব্বির হোসেন আক্কাশের বাসায় থাকেন। পরদিন দুপুরে রমজান ও আক্কাশ তাদের স্ত্রী-সন্তান নিয়ে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে মহিশালবাড়ী বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের কাদিপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারটি একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুমড়েমুচড়ে যায়।







