পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে সহকারী প্রক্টর ও কর্মচারীসহ চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্রে করে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আওয়াল কবির জয় জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহেদ সাদেকী শান্তর সমর্থকদের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক ওলিউল্লাহর সমর্থকদের কথাকাটি হয়। এর জের ধরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুর আলম ও আব্দুর রহিম, কর্মচারী সালমান হোসেনসহ চারজন আহত হয়েছেন। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
অপরদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহেদ সাদেকী শান্ত গ্রুপের সমর্থকদের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক ওলিউল্লাহ গ্রুপের সমর্থকদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ল্যাব সহকারী সালমান হোসেন এক পক্ষের হয়ে কথা বলতে গেলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এসময় ছাত্রলীগ নেতারা কর্মচারী সালমানকে মারধর করে। সহকর্মীকে মারধর করার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে সভাপতি-সেক্রেটারি-কর্মচারী ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের সিনিয়রদের সঙ্গে জুনিয়রদের ঝামেলা হয়েছিল। বিষয়টি সমাধান হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে।
/জেবি/টিএন/
/আপ: এইচকে/







