দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচণা দেওয়ার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন নাটোরের নলডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নলডাঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র শরিফুল ইসলাম পিয়াস (৪০)। আদেশে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। তবে ওই সময় পার হলেও আত্মসমর্পণ না করায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। আদেশ পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
আ.লীগ নেতা শরিফুল ইসলাম পিয়াস নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম সোনাপাতিল গ্রামের ওহাব মাস্টারের ছেলে। নলডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আকবর আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা আকবর আলী বলেন, আদালতের পাঠানো গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ অনুযায়ী বুধবার দুপুরে শরিফুল ইসলাম পিয়াসকে নলডাঙ্গা বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
নলডাঙ্গা পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান মনির জানান, বেশ কিছুদিন আগে নাটোর শহরের বুড়াদুর্গা এলাকায় ভাড়া বাসায় পিয়াসের দ্বিতীয় স্ত্রী পলি খাতুন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ওই ঘটনায় পিয়াসের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ এনে নাটোর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন পলি খাতুনের মা। ওই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন তিনি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করায় তাকে গ্রেফতারের পর আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।









