বগুড়ায় নৈশপ্রহরী আবদুল জব্বার হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের দুই যুগ পর বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুুপুরে বগুড়ার তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম রুবাইয়া ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) জহুরুল ইসলাম এ তথ্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বিলহামলা গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের দুই ছেলে আফজাল হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম, উপজেলার ছাতরা গ্রামের রমজান আলীর ছেলে সাইফুল আলম, বিলহামলা গ্রামের মৃত আবদুস সবুরের ছেলে গোলজার রহমান, একই গ্রামের মৃত তসলিম উদ্দিনের ছেলে আলম ফকির ও তার স্ত্রী আসমা বেগম। আলম ও আসমা দম্পতি জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।
এজাহার ও আদালত সূত্র জানায়, গত ১৯৯৮ সালের ২৮ অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তরা শিবগঞ্জ উপজেলার বিলহামলা গ্রামে একটি রাইস মিলে হানা দেয়। তারা নৈশপ্রহরী আবদুল জব্বারকে হত্যা করে মিলের মোটর নিয়ে যায়। মিলের মালিক শরীফ উদ্দিন এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ ছয় আসামিকে গ্রেফতার করে। তাদের মধ্যে আসমা বেগম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে সব আসামি জামিনে ছাড়া পান। তদন্ত কর্মকর্তা ১৯৯৯ সালের ২৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। দীর্ঘ ২৪ বছর পর আদালত আজ ছয় জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) জহুরুল ইসলাম জানান, রায় ঘোষণার সময় আফজাল, জাহিদুল, সাইফুল ও গোলজার উপস্থিত ছিলেন। পলাতক আসমা ও আলম গ্রেফতারের পর তাদের সাজা কার্যকর হবে। পরে সাজাপ্রাপ্ত চার জনকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।









