বগুড়ার ধুনটে নববধূকে ধর্ষণে সহযোগিতার মামলায় নিমগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বগুড়া
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত চিঠি অভিযুক্ত শিক্ষক পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে ধুনট উপজেলা প্রাথমিক ফজলুর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগ ও শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, ধুনটের নিমগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুল হক উপজেলার নলডাঙ্গা গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে। তার শ্যালক বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে এরশাদ আলী (৩৪) গত ১৭ মার্চ বগুড়া শহরের মালগ্রাম উত্তরপাড়ার এক নারীকে (২৭) বিয়ে করেন। বিয়ের একদিন পর ১৮ মার্চ এরশাদ আলী গোপনে স্ত্রী তালাক দেন। তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে তিনি ওই নারীর সঙ্গে মেলামেশা করেন। এরপর ১ এপ্রিল তার হাতে তালাকের কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ওই নারী গত ৪ জুন এরশাদ আলী, তার বাবা, মা, ভগ্নিপতি মঞ্জুরুলসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহযোগিতার অভিযোগে মামলা করেন। শিক্ষক মঞ্জুরুল ৩ নম্বর আসামি ছিলেন। মঞ্জুরুল ২০ জুলাই বগুড়ার আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে জেলে পাঠান। তিনি ৯ আগস্ট উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান।
ধুনট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে গত ১৬ আগস্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠানো হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গত ২০ আগস্ট সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুলকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। বুধবার বরখাস্তের আদেশ ওই শিক্ষকের কাছে পৌঁছানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে শিক্ষক মঞ্জুরুল বলেন, শ্যালকের বিয়ের কাবিননামায় সই করায় তাকে আসামি করা হয়েছে।








