উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জে তিন দিন ধরে নেই সূর্যের দেখা। কুয়াশায় ঢেকে রয়েছে প্রকৃতি। সেই সঙ্গে বইছে মৃদু হিমেল বাতাস। যার ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। এর সঙ্গে রাত ও দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।
প্রচণ্ড শীতে স্বাভাবিক কর্মজীবনে নেমে এসেছে অনেকটাই স্থবিরতা। এদিকে এমন আবহাওয়া আরও দু-একদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আগের দুদিনের মতো রবিবারও (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকেই কুয়াশাচ্ছন্ন রয়েছে সিরাজগঞ্জ শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা। সেই সঙ্গে মৃদু হিমেল বাতাস বয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেক শ্রমজীবী মানুষ। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে খেটে খাওয়া মানুষগুলো কাজের উদ্দেশে বের হলেও তারা স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছেন না।
এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল রেকর্ড করা হয়েছিল ১১ দশমিক ৪। দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। এই পার্থক্য বেশি থাকলে শরীর কিছুটা গরম হওয়ার সুযোগ পায়। যার ফলে শীত কম অনুভূত হয়, যা এখন হচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসলে শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। এখন শৈত্যপ্রবাহ নেই তবে তিন দিন হলো সূর্যেরও দেখা নেই।’ আরও দু-একদিন এমন কুয়াশাচ্ছন্ন ও শীত থাকতে পারে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।









