ধর্ষণ ও হত্যার হুমকির বিচার চেয়ে রাস্তায় মা-মেয়ে

রাজশাহী প্রতিনিধি
১৮ মার্চ ২০২৫, ১৭:২৯ আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৫, ১৭:২৯

ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি এবং মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সুবিচার চেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়েছেন রাজশাহীর এক নারী ও তার মেয়ে। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে দাঁড়িয়ে ছিলেন জেলার তানোর উপজেলার নবনবী গ্রামের বাসিন্দা রোজিফা খাতুন ও তার মেয়ে বকুল খাতুন। সঙ্গে ছিলেন বকুলের ফুফাতো বোন।

তাদের অভিযোগ, গতকাল সোমবার (১৭ মার্চ) রাজশাহীর আদালত চত্বর থেকে বকুল খাতুনকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা হয়। একই এলাকার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম জহিরের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ। জহিরের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে তাদের। এর জের ধরে সম্প্রতি তানোরে রোজিফার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

রোজিফা ও তার মেয়ে বকুল মঙ্গলবার একটি ব্যানার নিয়ে সাহেববাজারে দাঁড়ান। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘বাঁচতে চাই, নিরাপত্তা চাই, অন্যায়ের বিচার চাই, ধর্ষণের হুমকির বিচার চাই।’

বকুল জানান, দেবোত্তর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ফেব্রুয়ারিতে তাদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের করা হয়। বিষয়টি নিয়ে মামলা করা হলে পরের দিন জামিন পেয়ে যান জহিরুল ইসলাম জহির। জামিনের পর তিনি প্রতিনিয়ত হত্যা ও ধর্ষণের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন জহিরের স্ত্রী তারিনা সুলতানা। এই মামলায় চার জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বকুলের অভিযোগ, এই মামলায় সোমবার আদালতে হাজির হলে আদালত চত্বর থেকে তাকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন জহির। এ সময় লোকজন এগিয়ে এলে কোনোরকমে রক্ষা পান তিনি। এই ঘটনার পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা মা ও মেয়ে। তারা নিরাপত্তা চান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম জহির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তাদের নামে কে মামলা করেছে আমি জানি না। আমি কোনো মামলা করিনি। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টাও করিনি। এগুলো সব মিথ্যা অভিযোগ। তারা আমাদের জমি দখল করেছে।’

মা-মেয়েকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, ‘এরকম কোনও ঘটনা তো আমার জানা নেই। এমন ঘটনা ঘটলে আমাকে জানাতে পারে। আমি থানায় অভিযোগ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’

/কেএইচটি/
সম্পর্কিত
মাদ্রাসায় ভাঙচুর করা বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি দিলেন আরেক বহিষ্কৃত নেতা
সেপ্টেম্বরে ধর্ষণের শিকার ৪৯ নারী-কন্যা, ৫২ জনকে হত্যা
শারীরিক প্রতিবন্ধী গৃহকর্মীকে ধর্ষণের মামলায় সেই গৃহকর্তা কারাগারে 
সর্বশেষ খবর
শেখ হাসিনার সেই দায়িত্ব রুমিন ফারহানা কাঁধে নিয়েছেন, অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে: নাদিয়া পাঠান
শেখ হাসিনার সেই দায়িত্ব রুমিন ফারহানা কাঁধে নিয়েছেন, অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে: নাদিয়া পাঠান
ব্রাজিলের নির্বাচনে প্রার্থী ‘ট্রাম্প’, ‘ওবামা’, কেন জানেন?
ব্রাজিলের নির্বাচনে প্রার্থী ‘ট্রাম্প’, ‘ওবামা’, কেন জানেন?
গাড়ির আধুনিক প্রযুক্তিতে আড়িপাতার ঝুঁকি
গাড়ির আধুনিক প্রযুক্তিতে আড়িপাতার ঝুঁকি
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
সর্বাধিক পঠিত
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কুষ্টিয়ার সেই শিক্ষককে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে পুলিশ
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কুষ্টিয়ার সেই শিক্ষককে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে পুলিশ
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘বের করে দিলেন’ রুবিও
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘বের করে দিলেন’ রুবিও
‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা
‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা
এলপিজি: বেশি দামে বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা
এলপিজি: বেশি দামে বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা
স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বের হয়ে যা বললেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বের হয়ে যা বললেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি