জুলাই আন্দোলনে শহীদ মীর মুগ্ধর যমজ ভাই সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেছেন, ‘এই খুনি স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা শুধু ২০২৪-এর অভ্যুত্থানেই নয়; সরকার গঠন করে বিভিন্নভাবে বিএনপির ওপরে নির্যাতন করেছে। গুম, খুনের ভয় দেখিয়ে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করেছে।’
তিনি বলেন, ‘যখন মুগ্ধ শহীদ হয়, তার লাশ দাফনে আমাদের কোনও জায়গা দেয়নি স্বৈরাচারী সরকার। একজন শহীদের লাশ দাফনে কোনও কবরস্থানে তারা আমাদের জায়গা দেয়নি। আমরা প্রত্যন্ত এক অঞ্চলে গিয়ে, যেখানে পুলিশের নজর পড়বে না, সেখানে আমার ভাইয়ের লাশ দাফন করতে হয়েছে। আমি বিশ্ববাসীকে দেখানোর চেষ্টা করেছি, খুনি হাসিনা কীভাবে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমরা বলেছি খুনি হাসিনার সঙ্গে কোনও আপস করবো না।’
রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকালে বগুড়ার শিবগঞ্জে শহীদ মীর মুগ্ধ স্কয়ার চত্বরে অনুষ্ঠিত ছাত্র জনতার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর স্নিগ্ধ বলেন, ‘হাসিনার মন্ত্রীসহ বহু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আমাদের বাসায় ব্ল্যাংকচেক নিয়ে এসেছিল। আমরা বাসায় থাকতে না পেরে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হই এবং ৫ আগস্টের পর আমরা মুক্তি পেয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন, সেই দফাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে খুনি হাসিনার তৈরি সরকার ব্যবস্থাকে চিরতরে কবর দেবো।’
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব, বিএনপি নেতা এস এম তাজুল ইসলাম, আব্দুল করিম, মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, খালিদ হাসান আরমান প্রমুখ।
দুপুরে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বগুড়ার মহাস্থানে হজরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহীসাওয়ারের (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। তিনি মূলত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়া সফরের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করলেন।









