রাজশাহীর তানোরে এক গৃহবধূকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ২৬ অক্টোবরের। অভিযুক্ত ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভয়ে ভুক্তভোগী মামলা করেননি।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে তানোর থানায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- সাহাপুর গ্রামের সুমন (৪৫), শফিকুল ইসলাম (৪৭) ও পলাশ (৪২)।
মামলায় ওই গৃহবধূ বলেছেন, গত ২৬ অক্টোবর বিকাল ৩টার দিকে তানোর উপজেলার একটি গ্রামে তার স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে জোরপূর্বক তুলে নেয় স্থানীয় আসামিপক্ষের লোকজন। অভিযুক্ত সুমন অপর দুই আসামির সহযোগিতায় একটি মাইক্রোবাসে করে রাজশাহীতে নিয়ে যায়। এরপর সুমন তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসযোগে রাজশাহী থেকে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর লালমাটিয়া এলাকায় তার আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে একটি রুমে সারা দিন আটকে রেখে আসামি সুমন একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে ২৮ অক্টোবর তাকে রাজশাহীতে ফিরিয়ে এনে বাসস্ট্যান্ডে রেখে পালিয়ে যায় সুমন।
ভুক্তভোগী উল্লেখ করেছেন, ঘটনার পর আসামিপক্ষ বিভিন্নভাবে তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। শফিকুলসহ অভিযুক্তরা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পরিবারটি এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
তানোর থানার ওসি আফজাল হোসেন বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওসিসি-তে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করছে।









