তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট আজ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মো. নাজমুল হুদা নাসিম, বগুড়া
০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০১আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:১৭

রাত পোহালেই বগুড়া-৬ (সদর) আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া এ আসনের উপনির্বাচনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে শেষ মুহূর্তে বিএনপি ও জামায়াতের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পরস্পরের বিরুদ্ধে দফায় দফায় সংবাদ সম্মেলন করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। ফলে শেষ মুহূর্তে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

তবে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম।

উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণের জন্য বুধবার সকাল থেকে শহরের সেন্ট্রাল স্কুল মাঠ থেকে ১৫১টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনে দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া ২ হাজার ৬৫৫ জন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা, ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি, ১০ প্লাটুন র‍্যাব, সেনাবাহিনী এবং ডগ স্কোয়াডসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ কেন্দ্রের চেয়ে বাড়তি নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আসনটিতে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি পেয়েছিলেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৩৪ ভোট। সেইসঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসনেও বিজয়ী হন। পরে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বৃহস্পতিবার।

বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। এখানে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র। আর জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনেও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারেক রহমানের ২ লাখ ১৬ হাজার ২৩৪ ভোটের বিপরীতে আবিদুর ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পান।

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, ‘আসনটিতে ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১০ জন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন ৩ হাজার ৭৩৬ জন।’

আসনটি জিয়া পরিবারের জন্য ‘সংরক্ষিত’ হিসেবে পরিচিত। ১৯৭৯ থেকে ২০০৮ সালের নির্বাচন পর্যন্ত আসনটি দখলে ছিল বিএনপির। ২০১৪ সালে বিএনপিবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হলেও শপথ নেননি। এবারের নির্বাচনে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হলেও আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন।

জামায়াতের প্রার্থীর অভিযোগ

উপনির্বাচনে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল। বুধবার দুপুরে শহরের নওয়াববাড়ি সড়কে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। আবিদুর রহমান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও বগুড়া শহর শাখার আমির। 

সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান

এ ছাড়া বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা ভোট চেয়ে মিছিল করেছেন। জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিটার্নিং অফিসার ফজলুল করিম এ ব্যাপারে তদন্ত করতে ওই আসনে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান হাবিবকে নির্দেশ দিয়েছেন। 

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের প্রার্থী অভিযোগ করেন, বিএনপি-সমর্থিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়া ও দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট লোকজনকে ভোটের দায়িত্ব দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনও ব্যবস্থা নেননি। উল্টো রিটার্নিং কর্মকর্তাও বিএনপির প্রার্থীর পক্ষ নিয়েছেন।

আবিদুর রহমান বলেন, ‌‘জামায়াতে ইসলামী অবাধ, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠানের আশায় উপনির্বাচনে অংশ নিলেও সরকারি দল প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচনি পরিবেশ কলুষিত ও ভীতিকর এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ দলীয় প্রভাব বিস্তারের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বারবার অভিযোগ করেও প্রতিকার মেলেনি। উল্টো বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন তিনি।’

জামায়াতের প্রার্থী বলেন, ‘ভোট গ্রহণের জন্য দলনিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানানো হলেও ভোটে কারচুপি করতে বিএনপি-সমর্থিত ব্যক্তিদের প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে রিটার্নিং কর্মকর্তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ১০ দিন আগে ১৫০টি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার তালিকা চাওয়া হলেও তিনি তালিকা গোপন করেছেন। শেষ মুহূর্তে তালিকা পাওয়ার পর দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট ১৬ জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দেওয়া হলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনও ব্যবস্থা নেননি।’

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নীরব থাকার অভিযোগ তুলে আবিদুর রহমান বলেন, ‘সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নার্সরা বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ধানের শীষের মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া বগুড়া রেলস্টেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি ব্যাংকের বিএনপি-সমর্থিত সিবিএ নেতাদের নেতৃত্বে ধানের শীষের পক্ষে মিছিল বের করা হয়েছে। সরকারি দলের পক্ষে চাপ দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রচারণায় নামতে বাধ্য করা হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো, নির্বাচনি এলাকায় সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানিয়ে বলা হয়, দাঁড়িপাল্লার কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। নির্বাচনে কালো টাকা ছড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে। এটি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সরকারি দলের তাঁবেদার না হয়ে দলনিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। সাধারণ ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি দেখছি। অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে অভিযোগ পাওয়ার পর ১২ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দলীয় প্রচারণার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

নিকাব খুলে ভোট দেওয়ার দাবি বিএনপির প্রার্থীর

জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। উপনির্বাচনকে জামায়াতে ইসলামী বানচাল ও প্রশ্নবিদ্ধ করার নানা ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেইসঙ্গে উপনির্বাচনে নারী ভোটারদের নিকাব খুলে ভোট গ্রহণের দাবি জানান বিএনপির প্রার্থী।

পরে এ দাবির বিপক্ষে বুধবার জামায়াতের নারী কর্মীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন। বিকালে জামায়াত-সমর্থিত ভোটাররা জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও করে নিকাব খোলার বিষয়ে বিএনপির প্রার্থীর দাবির বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জানান।

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিমের সংবাদ সম্মেলন

এর আগে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম বুধবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা আছে নিকাব খুলে এজেন্টদের মুখ দেখিয়ে গোপন বুথে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন। নিকাব পরে কেউ ভোট দিতে পারবেন না। কেউ যাতে নিকাব পরে ভোট দিতে না পারেন, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

জামায়াতের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে রেজাউল করিম বলেন, এই উপনির্বাচন বানচাল ও প্রশ্নবিদ্ধ করার নানা ষড়যন্ত্র করছে জামায়াত। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগেও তারা একই ষড়যন্ত্র করেছিল, তাদের কেন্দ্রীয় নেতারা বগুড়ায় এসে একই ধরনের কথা বলেছেন। অথচ এই উপনির্বাচনে ধানের শীষে ভোট চাইতে বিএনপির কোনও কেন্দ্রীয় নেতা আসেননি। কোনও সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীও আসেননি। বিএনপি চায় ভয়ভীতিহীন স্বচ্ছ, অবাধ ও সুষ্ঠু হোক। প্রতিটি কেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হোক। প্রয়োজনে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়া হোক। আমরা চাই, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করুক।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জায়েদ ইবনে আবুল ফজল বলেন, ‘যেকোনো ধরনের কারচুপি বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।’

/এএম/ 
সম্পর্কিত
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
থানার ভেতরে আটকে বিএনপি নেতাকে মারলো কারা?
সর্বশেষ খবর
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
শুরু হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা পরিশোধ
শুরু হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা পরিশোধ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী