বিভিন্ন ইউনিটের ১৪ নেতাকে শোকজ করেছে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদল। দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকা এবং সংগঠনের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে তাদের এ শোকজ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জনকে শোকজ করা হয়েছে বুধবার। অন্যজনকে শোকজ করা হয় আগের দিন মঙ্গলবার (২১ জুলাই)।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক রাকিন রায়হান রবিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির ও সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন কারণ দর্শানোর এ নোটিশে স্বাক্ষর করেন।
দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে যাদের শোকজ করা হয়েছে তারা হলেন- রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু সাঈদ হাসান রিয়াদ, সুজাউদ্দৌলা ডিগ্রি কলেজের সভাপতি আসফাত ইসলাম আফ্রিদি, সিনিয়র সহসভাপতি সাদিকুর রহমান জিম, সাধারণ সম্পাদক সামির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রোদ্র, সাংগঠনিক সম্পাদক রওনক আবীদ, অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র সহসভাপতি ওয়াকিলুর রহমান বিশাল, সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান আলম সাফিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহান, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যানি খাতুন, শহীদ বুদ্ধিজীবী সরকারি কলেজের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুহানউজ্জামান রিজন এবং দারুস সালাম কামিল মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক সাদাত রায়েদ।
তাদের দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে অধিষ্ঠিত থাকা সত্ত্বেও তারা ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ঘোষিত কর্মসূচিগুলো যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। একাধিক কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থেকেছেন। এই ব্যর্থতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক রাকিন রায়হান রবিন, সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন এবং সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরের উপস্থিতিতে দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই নির্দেশনা দিয়ে শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে নগরের মতিহার থানা (দক্ষিণ) ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সারোয়ার হোসেন তিমেলকে। এই নোটিশে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে সংগঠনবিরোধী আচরণের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন বলেন, ‘দায়িত্বশীল জায়গায় থেকেও তারা ছাত্রদলের নানা কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকছেন। একজন সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী তাদের শোকজ করা হয়েছে। তারা ব্যাখা দেবেন। সেটি সন্তোষজনক না হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’









