সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইমোতে নারীকণ্ঠে কথা বলে প্রবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত প্রতারণা করা দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলার দূরদুরিয়া ইউনিয়নের যোতগৌরি পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে সোহেল রানা (১৯) ও রাজিব আলীকে (২৭) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা একই এলাকার বাসিন্দা।
গ্রেফতারের পর চক্রের হোতা সোহেল রানা পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়ে জানান, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার এক হ্যাকারের কাছ থেকে ৭ হাজার টাকায় ইমো হ্যাকিং শিখেছেন। এখন ইমোর মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নারী কণ্ঠে কথা বলেন তিনি এবং চক্রের অন্য সদস্যরা। এক পর্যায়ে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর নিয়ে স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে প্রতারণা করতেন। নারী সেজে টাকা হাতিয়ে নিতেন।
পুলিশ বলছে, নাটোরের লালপুর উপজেলায় ইমো হ্যাকিংয়ের সংঘবদ্ধ একাধিক চক্র রয়েছে। ওই চক্রের সদস্যরা নিয়মিত অনলাইনের মাধ্যমে প্রবাসীদের সঙ্গে নানা কৌশলে প্রতারণা করে আসছেন। সোমবার দুপুরে চক্রের সদস্য সোহেল রানা ও রাজিব আলীর বাড়িতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এক পর্যায়ে তাদের দুই জনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় ইমো হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জাড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন গ্রেফতার দুই জন।
তাদের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা করা হয়েছে। একইদিন বিকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহার করে এসব চক্র প্রতারণা করে আসছে। এই চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে বহু প্রবাসী নিঃস্ব হচ্ছেন। এদের গ্রেফতার করতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।









