দুই দিনব্যাপী নানা আনন্দ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ছিটমহল বিনিময়ের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন করলো কুড়িগ্রামের অভ্যন্তরে থাকা বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা।
বাংলাদেশের সঙ্গে একীভূত হওয়া সর্ববৃহৎ ছিটমহল কুড়িগ্রামের দাসিয়ার ছড়ার কালিরহাট বাজারে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে ৬৮টি মোমবাতী ও ৪ বছরে পর্দাপন উপলক্ষে ৪টি মশাল জ্বালিয়ে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখেন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া বিলুপ্ত ছিটমহলের অধিবাসীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মণ্ডল, বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটি বাংলাদেশ ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ছিটমহল বিনিময় কমিটির দাসিয়ার ইউনিটের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেনসহ বিলুপ্ত ছিটের বাসিন্দারা।
বুধবার(১ আগস্ট) সকাল ১১টায় কালির হাট বাজারে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর আনন্দ র্যালি বের করা হয়। পরে কালিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় লাঠি খেলাসহ বিভিন্ন গ্রামীণ খেলা।
২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ৬৮টি মোমবাতি জ্বালিয়ে দু’দেশের অভ্যন্তরে থাকা ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হয়। ৬৮ বছরের বন্দি জীবনের অবসান ঘটে ছিটবাসীর। এতে নাগরিকত্ব মেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহলের প্রায় ৩৭ হাজার মানুষের। আর ভারতের নাগরিকত্ব পায় ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের প্রায় ১৪ হাজার মানুষ।







