চতুর্থ দিনের মতো দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে দেশে ফিরছেন চিকিৎসা নিতে গিয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকেরা।
শনিবার (২২ মে) সকাল ১০টা থেকে ভারতের কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি ও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষা করা করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে যাত্রীরা ভারত থেকে দেশে ফিরছেন। আজ সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৭ জন যাত্রী ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ওসি সেকেন্দার আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আজ চতুর্থ দিনের মতো হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে আটকে পড়া যাত্রীরা দেশে ফিরছে। সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রত্যেক যাত্রীকে রিসিভ করে তাদের স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং ও করোনা টেস্ট সম্পন্নের পর বিজিবি, ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের কাজ শেষ করে সকলকে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক পুলিশি স্কটের মাধ্যমে নির্ধারিত হোটেলগুলোতে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচ্ছে। এনিয়ে গত ৪ দিনে এ পথ দিয়ে মোট ৭৬ জন যাত্রী দেশে ফিরেছেন। তারা সকলেই ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন, তবে এখন পর্যন্ত কারো করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়নি।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত এ পথ দিয়ে দেশে প্রবেশের জন্য ১২৯ জন বাংলাদেশি অনুমতি বা এনওসি পেয়েছেন। তবে অধিকাংশ যাত্রীই ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন। সেখানে লকডাউনের কারণে বাস চলাচল না করায় ব্যক্তিগতভাবে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে আসতে হচ্ছে, যাতে করে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার খরচ হচ্ছে। ফলে অনেক যাত্রীই দেশে ফিরতে দেরি হচ্ছে। আবার কিছু যাত্রী বিশেষ ট্রেনে করে আসছেন।









