ইউপি সদস্যের করা মামলায় পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার চেংঠিহাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র রায়কে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) পঞ্চগড়ের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হুমায়ুন কবির সরকার তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দেবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৫ জুলাই চেংঠিহাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত চেম্বারে ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামসহ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক করছিলেন। এ সময় ইউপি সদস্য শহিদুল চেয়ারম্যানের কাছে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের অধীনে চেংঠিহাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নের ডাডুয়া হাটসেট নির্মাণ সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র রায়সহ তার লোকজন ওই ইউপি সদস্যের গলা টিপে ধরে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এ ঘটনায় গত বছরের ১৮ আগস্ট ইউপি সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম চেয়ারম্যান, তার ছেলে মানিক চন্দ্র রায় ও কানাই চন্দ্র সেনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিলে গত ৯ ডিসেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২৪ নভেম্বর মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়। বৃহস্পতিবার আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই মামলায় আসামিরা গত বছরের ২২ ডিসেম্বর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালতের বিচারক মো. মতিউর রহমান তিন জনের জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের জেলহাজতে পাঠান। পরদিন ২৩ ডিসেম্বর জেলা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে তারা জামিন পান।









