দেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা দিনাজপুরের হিলিতে কয়েকদিন ধরে জেঁকে বসেছে শীত। সকালে ঘন কুয়াশা ঝরছে। সেই সঙ্গে বইছে বাতাস। তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বাজারে এসে ফিরে যাচ্ছে অনেক দিনমজুর।
এদিকে বেলা বাড়ার পর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তি থাকলেও বিকালের পর আবার কুয়াশার সঙ্গে শীত নামছে। শীতের কারণে ঠান্ডা-জ্বরে ভুগছে বয়স্ক ও শিশুরা।
হিলি বাজারে দিনমজুর সিদ্দিক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কয়েকদিন ধরে শীত বাড়ছে। এর মধ্যে সকালে কষ্ট করে বাজারে এসে কোনও কাজ পাচ্ছি না। কাজ পাওয়া গেলে অন্তত ডাল-ভাত খেয়ে চলতে পারতাম। তীব্র শীতে কষ্ট করছি। আমাদের কেউ দেখে না।
পঞ্চাশোর্ধ্ব দিনমজুর মকবুল হোসেন বলেন, আমরা তো দিনমজুর, কাজ করলে ভাত হয় না করলে হয় না। কয়েকদিন ধরে খুব ঠান্ডা পড়ছে। হাতা-পা জমে যাচ্ছে। তারপরও কষ্ট করে কাজের উদ্দেশ্যে বাজারে এসেছি। কিন্তু কোনও কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। এত শীতের মধ্যে সকালে গৃহস্থরা আসেন না। তাই বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।
আবহাওয়া অধিদফতর দিনাজপুরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আজ দিনাজপুর অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৮৪ শতাংশ, গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বেড়ে ১-১৩ কিলোমিটার হতে পারে। আগামীতে তাপমাত্রা আরও কমবে।









