দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যার শিকার হন বাহাউদ্দিন (৩৬)। ঘটনার এক মাস পরেও এজাহারভুক্ত কোনও আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। মামলা তুলে নিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের ছোটভাই ইনছাব আলী।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই রাতে উপজেলার মধ্যবাসুদেবপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের মুদি দোকানের সামনে একই গ্রামের ইমনের (২৪) কাছে পাওনা ১৩ হাজার টাকা চান বাহাউদ্দিন। এ সময় তাদরে মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে বাহাউদ্দিনকে জখম করে পালিয়ে যায় ইমন। উপস্থিত লোকজন বাহাউদ্দিনকে প্রথমে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠান। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে নিহতের ছোট ভাই ইনছাব আলী ১৬ জুলাই হাকিমপুর থানায় ইমনকে এক নম্বর এবং দক্ষিণ বাসুদেবপুর (চুড়িপট্রি) গ্রামের ইমন হোসেন ওরফে রিফাতকে (২৭) দুই নম্বর আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
নিহতের মা সোনাভান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার সন্তানকেতো ফিরে পাবো না। কিন্তু মামলার এক মাস পার হলেও পুলিশ কোনও আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।’
তিনি দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাকিমপুর থানার এসআই আব্দুল হামিদ বলেন, মামলার সন্দেহভাজন দুই জনকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
হাকিমপুর থানার ওসি আবু সায়েম মিয়া বলেন, বাহাউদ্দিন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।









