কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় নিজ বাড়ির টিউবয়েলের পাড় থেকে শহিদা বেগম (২৬) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত আটটার দিকে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের গণিরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শহিদা বেগম ওই গ্রামের আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। তার দুই সন্তান রয়েছে।
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তার ৪ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে টিউবয়েলের পাড়ে গেলে অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত বাড়িতে ঢুকে শহিদার গলা কেটে হত্যা করে।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত আটটার দিকে শহিদা বেগমের বাড়িতে ছোট মেয়ের অস্বাভাবিক কান্না ও চিৎকার শুনতে পান প্রতিবেশীরা। তারা দ্রুত বাড়িতে গিয়ে টিউবওয়েলের পাড়ে শহিদার গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন করে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
কচাকাটা থানার ওসি সোয়েল রানা বলেন, দুর্গম এলাকা হওয়ায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে মধ্যরাত হয়ে যায়। ওই গৃহবধূ ভাত রান্নার চাল ধোয়ার জন্য টিউবওয়েল পাড়ে যান। এ সময় অজ্ঞাত ঘাতক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলায় আঘাত করে। এতে গৃহবধূর শ্বাসনালী কেটে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
‘এখনও ঘাতককে সনাক্ত করা যায়নি। কী উদ্দেশে এই হত্যাকাণ্ড তা নিয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে,’ বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন ওসি।









