প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘ডিসইনফরমেশনের ব্যাপারে আমরা লিগ্যাল অ্যাকশন নিতে চাই। এ জন্য টিম তৈরি করা হয়েছে, তারা কাজ করছে। যারাই কাউকে নিয়ে মিথ্যা কথা বলবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রংপুর বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘কাগজে-কলমে বিভিন্ন মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। অথচ আমাকে নিয়ে ডিসইনফরমেশনের কার্ড বানানো হয়েছে। আমি বলেছিলাম, আগের সরকারের পাপের ফল হচ্ছে জ্বালানি সংকট। এটা আমি আওয়ামী লীগকে নিয়ে কথাটা বলেছিলাম। যদিও কিছুক্ষণ পরে বিস্তারিত এসেছে।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, অবাধ তথ্য নিশ্চিত করতে আগামী মাসেই তথ্য কমিশন গঠন করা হবে। যদিও এই মুহূর্তে তথ্য কমিশন নেই, তবে ইতোমধ্যে সার্চ কমিটি তৈরি হয়েছে। তারা মিটিং করছেন। তারা তাদের মতো করে নাম প্রস্তাব করবেন। ফাইনালি সিলেক্ট করা হবে। মোটামুটি আমি নিশ্চিত করতে চাই, এক মাসের মধ্যে তথ্য কমিশন গঠন করা হবে। আশা করছি, তখন তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা থাকবে না।
তিনি বলেন, ‘একটা সময় তথ্য কমিশন নামকা ওয়াস্তে ছিল। আমাদের সরকার এটাকে ফাংশনিং কমিশন করতে যাচ্ছে। এটা আমরা নিশ্চিত করতে পারি।’
তিনি বলেন, তথ্য কমিশন একটি আইনের মাধ্যমে গঠিত কমিশন। তথ্য কমিশনে যারা থাকেন, সরকার তাদের অপসারণ করতে পারবে। তবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক যেভাবে অপসারিত হন, তারাও সেভাবে হবেন।
নিজের উপদেষ্টা থাকা না থাকা প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী না চাইলে আপনি যতই পাওয়ারফুল মন্ত্রী হোন না কেন, থাকতে পারবেন না।’
তিনি বলেন, গণমাধ্যম যাতে ভালোভাবে কাজ করতে পারে, সে জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা আমাদের সরকার করছে।









