বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার বলেছেন, ‘আমরা সব সময় বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি। ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে ভাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে সেটি আরও উন্নত করতে আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে যাবো।’
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেট সংলগ্ন ডাকবাংলোয় হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের আয়োজনে বন্দরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
সহকারী হাইকমিশনার বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে যে সম্পর্ক আছে, দুই দেশের সরকারের মধ্যে যে সম্পর্ক আছে, জনগণের সঙ্গে জনগণের কন্টাক্ট আছে, দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক আছে, সেই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার জন্য দুই দেশের আমদানি ও রফতানিকারকদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের আমদানি ও রফতানিকারক ব্যবসায়ীরা খুব ভালো কাজ করছেন। আমাদের যে সম্পর্ক বিশেষ করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সংযোগ, পিপল টু পিপল সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য আমি আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আপনারা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে দারুণ কাজ করছেন। ভবিষ্যতে আপনারা এটি অব্যাহত রাখবেন আমরা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১২০ থেকে ১২২ ট্রাক পণ্য আমদানি হচ্ছে এই সংখ্যা আরও কীভাবে বাড়ানো যায় দুই দেশের আমদানি ও রফতানি ব্যবসায়ীরা সেই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এটি একটি ভালো চিন্তা, এটি একটি ভালো অগ্রগতি যে উভয় পক্ষই বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে। আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি অর্জিত হবে। নিয়ত বা উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার ভালো, আর উদ্দেশ্য ভালো হলে ফলাফলও ভালো হবে।’
এর আগে দুপুর ১টায় তিনি হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেটে আসেন তিনি। এ সময় স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে হিলি সীমান্তের জিরোপয়েন্ট এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি ও বিএসএফের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। পরে সেখানে তাকে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। তিনি ডাকবাংলোয় এসে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভারত অভ্যন্তরে হিলিতে কোয়ারেন্টাইন অফিস না থাকা, ঊর্ধ্বতন কাস্টমস কর্মকর্তার অফিস না থাকা, বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি করা পণ্য দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করাসহ ভিসা জটিলতা নিরসন করে ব্যবসায়ীদের সহজে যেন বিজনেস ভিসা দেওয়া হয় সেই দাবি জানানো হয়।









