সিলেটে গ্যাসের বর্ধিত সংযোগ (এক্সটেনশন) হঠাৎ বন্ধ করে দিয়েছে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। এ কারণে প্রায় ১০ হাজার গ্রাহক বিপাকে পড়েছেন।
এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার নগরীর মেন্দিবাগের জালালাবাদ গ্যাস অফিসে বিক্ষোভ হয়েছে। পরে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে বৈঠক করে বিক্ষুব্ধরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন বলে জানা গেছে।
জালালাবাদ গ্যাস কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন কুমার সরকার জানান, কিছুদিন ধরে এমনিতেই বাসা-বাড়িতে গ্যাস সংযোগ বন্ধ রয়েছে। নতুন সংযোগ বন্ধ থাকলেও যে সব গ্রাহকের নামে রাইজার ছিল তারা এক্সটেনশন সংযোগ দিতে পারতেন। কিন্তু জালালাবাদ গ্যাসের ব্যবস্থাপক সোমবার রাতে আকস্মিকভাবে এক্সটেনশন লাইন বন্ধের ঘোষণা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে গ্যাস অফিস চত্বরে বিক্ষোভ করে।
এ পর্যায়ে ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী রেজাউল করিম এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পরমজ্যোতি প্রদীপ এবং সহ-সভাপতি ফখর উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকে ব্যবস্থাপক জানান, পেট্রোবাংলার সভাপতি ও পরিচালক (অপারেশন) বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তারা দেশে ফেরার পর তিনি এ নিয়ে তাদের কথা বলবেন। ব্যবস্থাপকের এমন আশ্বাসে তারা ৪ জুন পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।
রঞ্জন জানান, প্রায় ১০ হাজার গ্রাহকের ডিমান্ড নোট, ফাইল এবং বই কার্ডের আবেদন এক্সটেনশনের জন্য জমা আছে। এসব পেন্ডিং ফাইলের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কোনও সিদ্ধান্ত না দিয়েই আকস্মিক এক্সটেনশন সংযোগ বন্ধের ঘোষণা দেয়। এ কারণে এসব গ্রাহক পড়েছেন চরম বিপাকে।
জালালাবাদ গ্যাসের কোম্পানী সচিব খান মো. বদিউজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সরকারি সিদ্ধান্তেই এক্সটেনশন গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। কন্ট্রাক্টর ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের লোকজন এ নিয়ে ব্যবস্থাপকের সঙ্গে কথা বলেছেন। ব্যবস্থাপক পেট্রোবাংলার সভাপতি দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আন্দোলনকারীদের জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে নয়, মিলছে ফ্ল্যাক্সিলোডের দোকানে
/এইচকে/







