যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত তারা মিয়ার গ্রামের বাড়িতে এখন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজনের ভিড়। সবাই এসেছেন তার স্বজনদের শান্তনা ও সমবেদনা জানাতে। গোলাপগঞ্জের জাঙ্গালহাটা গ্রামে তারা মিয়ার প্রতিবেশিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি ছিলেন ‘সহজ-সরল’ একজন মানুষ। কখনও কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াতেন না।
শনিবার নিউ ইয়র্কে দুর্বত্তের গুলিতে নিহত হয় দুই বাংলাদেশি। এদের একজন মাওলানা আলাউদ্দিন আখঞ্জি (৫৫)। তিনি ওজোন পার্ক এলাকার আল-ফোরকান জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। তার বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায়। আরেকজন তার বন্ধু তারা মিয়া (৬৪)।
তারা মিয়ার স্বজনরা জানান, জাঙ্গালহাটার কাজিবাড়ির বাসিন্দা কাজী তারা মিয়া বছর পাঁচেক আগে ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ যুক্তরাষ্ট্রে যান। তিনি পাঁচ সন্তানের বাবা। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে এসে এক মেয়ের বিয়ে দেন তিনি। সেটাই ছিল তার সর্বশেষ দেশে ফেরা। গ্রামের লোকজন জানান, তারা মিয়া ছিলেন সহজ-সরল প্রকৃতির মানুষ। তার জামাতা ইমরান হোসেন শাহিন জানান, তারা মিয়ার লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
গোলাপগঞ্জ থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী জানান, তারা মিয়ার লাশ দেশে আনার দিনক্ষণ এখনও ঠিকঠাক হয়নি।
/এআরএল/
আরও পড়ুন:
নিউ ইয়র্কে ইমাম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে: বার্নিকাট
বাংলাদেশি ইমামের হত্যাকারীকে শনাক্তের দাবি মার্কিন পুলিশের
নিউইয়র্কে নিহত ইমাম আলাউদ্দিনের বাড়ি হবিগঞ্জে, এলাকায় শোক-বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রে ইমামসহ দুইজনকে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশিদের বিক্ষোভ, ন্যায়বিচারের দাবি








