সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। মঙ্গলবার (২৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের সেবা করার জন্য মেয়র প্রার্থী হয়েছি। আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি, মানবসেবার জন্য রাজনীতি করি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সিলেটের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে সবার জন্য কাজ করার সুযোগ দেবেন।’
‘অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে গত ১০ বছর সিলেটের অনেক ক্ষতি হয়েছে’ উল্লেখ করে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘গত ১০ বছর অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে নগরবাসীকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সবাই আমাকে সুযোগ দিলে অবশ্যই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব দুর্ভোগ লাঘব করা হবে। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি সুরমা নদী ড্রেজিংয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবো এবং বাস্তবায়ন করবো।’
নগরে মশার উপদ্রবরোধে প্রজনন কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করা হবে জানিয়ে এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘ময়লা-আবর্জনা মুক্ত রাখা হবে। এই কাজে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতে ওয়ার্ডভিত্তিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করবো।’
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘নগর ভবন আরও বেশি নাগরিকবান্ধব করা হবে। যাতে কেউ সমস্যা নিয়ে এলে সহজে সমাধান পান।’
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খান।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালে সিলেট সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষদিন ২৫ মে। প্রত্যাহার ১ জুন। ৭৯ দশমিক ৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই নগরীতে ওয়ার্ড ৪২টি। ভোটার চার লাখ ৮৬ হাজার ৬০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৫৩ হাজার ৭৬৩ ও নারী দুই লাখ ৩২ হাজার ৮৪২ জন। মোট কেন্দ্র ১৯০টি এবং ভোটকক্ষ এক হাজার ৩৬৪টি। আগামী ২১ জুন পঞ্চমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।









