X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যার চেয়ে বিশ্বমান গুরুত্বপূর্ণ’

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ২০:৪২

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বমান গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও অনারারি অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সভাপতির বক্তব্যে এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘আমার জীবনের ৫৭-৬০ বছরের মতো এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ছিলাম। আমার একটাই প্রত্যাশা জাতির কাছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে— আগামী শতাব্দীতে আমরা যেন আরও  গতিশীল, মানবিক ও সৃজনশীল, মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ উপহার দিতে পারি। সেদিকেই আমরা কাজ করবো।’

এ সময় তিনি আরও  বলেন, ‘দেশে কতটি বিশ্ববিদ্যালয় আছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো কতটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে আছে। তাই তো জাপানে ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটির কথা বলা হয়, ইংল্যান্ডে রাসেল গ্রুপ ইউনিভার্সিটির কথা বলা হয়, ইন্ডিয়াতে আইআইটি, আইআইএম, মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির কথা বলা হয়। আমার মনে হয়, এটাই উৎকৃষ্ট সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশ্বমানের গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠানকীলন স্বাক্ষরতার হার এক শতাংশেরও নিচে ছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার সময়, যখন বাঙালিদের অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হতো, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছিল। তখন শিক্ষার হার ছিল একেরও নিচে। সেই থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ৭৫ হাজার গ্র্যাজুয়েট তৈরি করেছিল। তারাই একটি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে তুলেছিল। এ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৭৫ লাখ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করেছে। একটি সমাজ উন্নয়নের জন্য এটিই প্রয়োজন। শুধু সংখ্যার বিচারে নয়, বরং গুণের বিচারে অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেমন জাতিকে পথ দেখিয়েছে, আগামীতেও সেভাবেই পথ দেখাবে। চতুর্থ বিপ্লবের বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে অস্বীকার করা যাবে না, বরং এটিকে লালন করতে হবে। সেই সঙ্গে মানবিক ও উন্নততর মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনের মাধ্যমে শিক্ষাকে পূর্ণ করতে হবে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইমদাদুল হক বলেন,‘জাতির পিতা থেকে শুরু করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ৫২ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অর্জনের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাত রয়েছে।’

ডাক,টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের ঐতিহ্য হারাননি, তারা তাদের পূর্বসূরিদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের অর্জন পুরো দেশের অর্জন।  যে ক্ষেত্রে দেখবেন সেই ক্ষেত্রেই কৃতিত্বপূর্ণ ব্যক্তিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বাংলাদেশে রাষ্ট্রের ভিত্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গড়ে উঠেছে।’

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে বলেন, ‘যে বিষয়ে পড়ো না কেন ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে, কিন্তু এর অপব্যবহার করা যাবে না।’

 

 

/এপিএইচ/ 
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
মা ও ২ সন্তানকে গলা কেটে হত্যা
মা ও ২ সন্তানকে গলা কেটে হত্যা
ডনবাসের পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত জটিল’: জেলেনস্কি
ডনবাসের পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত জটিল’: জেলেনস্কি
বৈশ্বিক সংকটেও বেশ ভালো আছে বাংলাদেশ
বৈশ্বিক সংকটেও বেশ ভালো আছে বাংলাদেশ
দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৫ তরুণী
দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৫ তরুণী
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বিবিএ প্রোগ্রামে বিনামূল্যে আবেদনের সময় বাড়িয়েছে আর্মি আইবিএ  
বিবিএ প্রোগ্রামে বিনামূল্যে আবেদনের সময় বাড়িয়েছে আর্মি আইবিএ