শিক্ষা খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে হলে শুধু ‘হাই জাম্প নয়’, ‘পোল ভোল্ট জাম্প’ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় শিক্ষা ও প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহেনা পারভীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় তার একটি জাম্পের ভিডিও ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক জানতে চান—শিক্ষা সংস্কারে বৈপ্লবিক পরিবর্তনে এমন কোনও ‘জাম্প’ দেখা যাবে কিনা।
জবাবে মিলন বলেন, ‘‘২০০১ সালে দায়িত্ব পাওয়ার পর নকল প্রতিরোধ হয়েছিল, প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়েছিল। সেগুলোর পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। এডুকেশন সেক্টরে শুধু হাই জাম্প নয়, পোল ভোল্ট জাম্প দিতে হবে—এটা আমি বিশ্বাস করি।’’
গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলীয়করণের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা পেছনে যেতে চাই না। সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’’ গত ১৭ বছরের বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘কিছু দিন পর আমরা আপনাদের কাঠগড়ায় দাঁড়াবো, তখন উত্তর দেবো।’’
কারিকুলাম পরিবর্তন করা হবে কিনা—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘‘পরিবর্তন নয়, রিভিউ হবে।’’
শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘‘কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবশক্তি তৈরি করা।’’
দায়িত্ব পাওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মিলন বলেন, ‘‘দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করছি, যার সঙ্গে পূর্বে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ—শিক্ষা খাতের প্রতিটি বিষয় ধাপে ধাপে সমাধান করবো।’’
মন্ত্রী জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তিনি মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা করবেন এবং বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা পরে জানানো হবে।









