প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সবার কাজে উৎসাহ ও গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের হল রুমে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার শুরুটা হয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। কাজেই প্রাথমিক থেকেই আমাদের নজর বাড়াতে হবে। সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ব্যতীত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সম্ভব নয়।
মন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মতো আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও প্রিয় বিষয় শিক্ষা। দু’জনের নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। প্রধানমন্ত্রী প্রতি শনিবার শিক্ষাবিষয়ক পর্যালোচনা সভা করেন। সারা সপ্তাহের কাজের অগ্রগতি তার কাছে উপস্থাপন করতে হয়। শিক্ষা খাতে গতি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি ও অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটি থাকবেই, সম্পূর্ণভাবে শেষ করা সম্ভব নয়। যেসব দাবি যৌক্তিক, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না। আশা প্রকাশ করেন, এবার বাজেট বৃদ্ধি পাবে। যৌক্তিক অভিযোগগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী মাঠপর্যায় পর্যন্ত কার্যক্রম জোরদারে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও বেশি নিবেদিত হয়ে কাজ করলে শিক্ষার মান উন্নত হবে। আমরা কী করেছি, কী করা উচিত এবং কীভাবে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায়—এ বিষয়ে আমাদের নজর দিতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর মূল্যায়ন করা হবে। সেসব প্রকল্পের মিশন ও ভিশন কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অতীতে অবকাঠামো উন্নয়নে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও এখন থেকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









