শিক্ষার্থী সংকটে পড়তে যাচ্ছে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো

এস এম আব্বাস
০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২২:০০ আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২২:০০

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর তুলনায় দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসন রয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। ফলে সামগ্রিকভাবে উচ্চশিক্ষায় আসন সংকট না থাকলেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি অংশ শিক্ষার্থী সংকটে পড়তে পারে। বিশেষ করে মাঝারি, ছোট ও ঢাকার বাইরের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থী সংকট তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৬১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে স্নাতক পর্যায়ে মোট আসন ১০ লাখ ৮২ হাজার ২৮৮টি। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব আসন ১ লাখ ১ হাজার ৮৬২টি। অন্যদিকে, দেশের ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার। সব মিলিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট আসন ১৪ লাখ ৯২ হাজার ২৮৮টি।

অন্যদিকে, চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অর্থাৎ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর তুলনায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন রয়েছে ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬০৩টি বেশি। সে হিসাবে উচ্চশিক্ষার আসন পাস করা শিক্ষার্থীর দ্বিগুণেরও বেশি। অবশ্য এখনও পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) ফলাফল এখনও আসেনি। ফলাফল প্রকাশ হলে এই হিসাবের কিছু পরিবর্তন হতে পারে।

তবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সবাই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হবেন, এমনটিও নয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ, মেডিক্যাল, ডেন্টাল ও প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির পর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও কমে আসবে। ফলে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বড় সমস্যা না হলেও নতুন, মাঝারি ও তুলনামূলক কম পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চাপে পড়তে পারে। বিশেষ করে ঢাকার বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য শিক্ষার্থী আকর্ষণ করা কঠিন হতে পারে। শিক্ষার্থী কমে গেলে এসব প্রতিষ্ঠানের আয়, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইউজিসির ২০২২ সালের তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট আসনের ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ তখনও ফাঁকা ছিল। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত গড়ে ৬০ দশমিক ৮ শতাংশ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি। ঢাকার বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির সমস্যা তুলনামূলক বেশি ছিল। ফলে এবার উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পরিস্থিতি আরও চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চশিক্ষায় আসন বেশি থাকলেও সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সমান আগ্রহ নেই। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রতিযোগিতা, প্রতিষ্ঠানের সুনাম, শিক্ষার মান, বিষয় নির্বাচন, টিউশন ফি ও অবস্থান শিক্ষার্থীদের পছন্দ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। ফলে কোনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন পূরণ হলেও অনেক প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন ফাঁকা থেকে যেতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় চাহিদা বিবেচনা করা হয়নি

শিক্ষাবিদ রাশেদা কে. চৌধূরী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন খালি থাকার পরিস্থিতি রাতারাতি তৈরি হয়নি। প্রতিবছরই এর ধারাবাহিকতা ছিল। এবার এইচএসসি পরীক্ষার ফলের কারণে পরিস্থিতি আরও দৃশ্যমান হয়েছে। এতগুলো সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেগুলোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর চাহিদা বিবেচনা করা হয়নি। দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মানের দিক থেকে হাতে গোনা ১০টির মতো বিশ্ববিদ্যালয় মোটামুটি ভালো। বাকিগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই সার্টিফিকেট বিক্রির কারখানায় পরিণত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের লাগাম টানা না হলে শিক্ষাব্যবস্থায় তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা আরও বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিকেও শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ সীমিত। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা ও শিক্ষার্থীর চাহিদা বিবেচনা করে পরিকল্পনা করা হয়নি। এখন নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চেয়ে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন।’

উচ্চশিক্ষার বিস্তার হয়েছে উল্টোভাবে

কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও অধ্যাপক ড. শোয়াইব জিবরান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশে উচ্চশিক্ষার বিস্তার হওয়া উচিত পিরামিডের মতো। অর্থাৎ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি থাকবে, আর উচ্চশিক্ষার স্তরে তা ক্রমেই কমে আসবে। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছে উল্টো। প্রয়োজনের তুলনায় উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান ও আসন অনেক বেশি বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এর পেছনে ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। এ অঞ্চলে শিক্ষার চেয়ে ডিগ্রিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেকের কাছে ডিগ্রি একধরনের অলংকার। আবার রাজনৈতিক বিবেচনায় নিজ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের সম্মান ও প্রভাব বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। ফলে প্রয়োজন ও চাহিদা যাচাই না করেই উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান বেড়েছে।’

শিক্ষার্থীদের শিখনঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ

ড. শোয়াইব জিবরান বলেন, ‘এবার এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল। করোনা মহামারি, অটো পাস, জুলাই আন্দোলন এবং ২০২১ সালের অভিজ্ঞতাভিত্তিক নতুন শিক্ষাক্রম চালু ও পরে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তারা নানা ধরনের শিক্ষাবিঘ্নের শিকার হয়েছে। এসব কারণে তাদের মধ্যে বড় ধরনের শিখনঘাটতি তৈরি হয়েছে।’

এই শিক্ষার্থীদের অনেকে উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হলেও সেই ঘাটতি পূরণের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকলে তা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

আসন পূরণে ভর্তির যোগ্যতা কমানোর ঝুঁকি

ড. শোয়াইব জিবরান বলেন, আসন পূরণ করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি ভর্তির যোগ্যতার মান কমিয়ে দেয়, তাহলে দুর্বল ভিত্তির শিক্ষার্থীরা এমনিতেই মানহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবে। এতে তাদের শিখনঘাটতি নিয়েই চাকরির বাজারে প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হবে। এর ফলে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার পরিবর্তে একটি অদক্ষ প্রজন্ম তৈরি হতে পারে।

উচ্চশিক্ষা সংকুচিত করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে

উচ্চশিক্ষার পরিসর প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছে উল্লেখ করে ড. শোয়াইব জিবরান বলেন, ‘এখন উচ্চশিক্ষা সংকুচিত করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। সবাইকে উচ্চশিক্ষায় নিয়ে আসার প্রয়োজন নেই। যারা গবেষণা, নীতিনির্ধারণ, চিন্তা ও জ্ঞানচর্চায় যুক্ত হবেন, তাদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রয়োজন। কিন্তু দেশের অর্থনীতি ও কর্মক্ষেত্রের জন্য দক্ষ কর্মীও দরকার। তাই শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা ও আগ্রহ অনুযায়ী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার দিকে নেওয়া জরুরি।’

মান উন্নয়নে মনোযোগ দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একসময় সার্টিফিকেট ও পাসের হার বাড়ানোর একটা সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল। সব পক্ষকে খুশি করে ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রবণতা এবং তুষ্টিবাদী রাজনীতির কারণে শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষতি হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি তারই পরিণতি। একই সঙ্গে শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি সরকারি ও বেসরকারি—সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই একটি বার্তা। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় সবাইকে যুক্ত হতে হবে। তাহলে শিক্ষার্থীর অভাব হবে না। দেশে শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও ভালো বিশ্ববিদ্যালয় হাতে গোনা কয়েকটি। সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর অভাব হবে না। আমরা আশা করি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার মান উন্নয়নে মনোযোগ দেবে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষতা ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে শিক্ষার্থীরা বেকার না থাকে।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অতীতে যত্রতত্র অনেক বেসরকারি ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এগুলোর প্রয়োজনীয়তা, চাহিদা ও সক্ষমতা যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। লুটপাটতন্ত্র ও তুষ্টিবাদী রাজনীতির কারণে শিক্ষাব্যবস্থার এই দুরবস্থা তৈরি হয়েছে। সরকার এখন শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা করছে। বিশেষায়িত কোনও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন ছাড়া নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের পরিকল্পনা সরকারের নেই। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নের পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং আইনগত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার বিষয়েও কাজ করছি।’

/ইউএস/
সম্পর্কিত
ঢাবিতে একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩
ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের পর আটক ব্যক্তি বললেন, ‘আমি বিএনপি করি ভাই’
ঢাবিতে চার স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ২
সর্বশেষ খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
এনবিএ’র সভাপতি জাবেদ কারদার, সাধারণ সম্পাদক রাইসুল হক চৌধুরী
এনবিএ’র সভাপতি জাবেদ কারদার, সাধারণ সম্পাদক রাইসুল হক চৌধুরী
ভূমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নেওয়ার সুপারিশ
ভূমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নেওয়ার সুপারিশ
স্মার্টফোন ব্যবহার না করলেও চার্জ কমছে? বন্ধ করবেন যেভাবে
স্মার্টফোন ব্যবহার না করলেও চার্জ কমছে? বন্ধ করবেন যেভাবে
সর্বাধিক পঠিত
১০ লাখ টাকা থাকলে কোথায় বিনিয়োগ করবেন
১০ লাখ টাকা থাকলে কোথায় বিনিয়োগ করবেন
রেডি হও জামায়াত, তোমাদের উপযুক্ত জায়গা পাকিস্তান পাঠানো হবে: পাপিয়া 
রেডি হও জামায়াত, তোমাদের উপযুক্ত জায়গা পাকিস্তান পাঠানো হবে: পাপিয়া 
ব্যানারে জিয়ার ছবি নেই, ডিসিকে সরাতে ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
ব্যানারে জিয়ার ছবি নেই, ডিসিকে সরাতে ছাত্রদলের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
আজই বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হতে পারে 
আজই বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হতে পারে 
গল্লামারীতে হাতিরঝিলের রেপ্লিকা, চালু হচ্ছে কবে
গল্লামারীতে হাতিরঝিলের রেপ্লিকা, চালু হচ্ছে কবে